‘শামীমার সবকিছুই যেন চুরমার হয়ে গেছে’
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক কিশোরী শামীমা বেগম আইএসের হয়ে লড়াই করতে সিরিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন। গেল বৃহস্পতিবার এবিসি নিউজের সাংবাদিক জেমস লঙম্যান মুখোমুখি হয়েছিলেন শামীমা বেগমের।
লঙম্যানকে শামীমা বেগম বলেছেন, ব্রিটিশ নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার পর শামীমার কাছে মনে হয়েছে, শামীমার সবকিছুই যেন চুরমার হয়ে গেছে।
আল আরাবিয়া তাদের এক খবরে জানিয়েছে, জেমস লঙম্যানকে তিনি আরও বলেন, যখন আমার নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে, তখন মনে হয়েছে, নিজের চোখের সামনে আমার দুনিয়া ভেঙে ছারখার হয়ে গেছে। আপনি জানেন, কীভাবে আমি কথা বলছি। আমি আমার সরকারি কর্মকর্তাদের মাধ্যমেও কথা বলতি পারিনি। সাংবাদিকদের মাধ্যমে কথা বলতে হয়েছে।
শামীমা বলেন, আইএসে যোগ দেওয়ার আগে আমি কোনো অন্যায় করিনি। কাজেই আমার বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন।
১৫ বছর বয়সে আইএসের হয়ে লড়তে লন্ডন থেকে পালিয়ে সিরিয়ায় যান তিনি। পরে তার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে। লন্ডনের এক সাংবাদিক তাকে সিরিয়ার একটি শরণার্থী শিবিরে পেয়েছেন।
শামীমা বলেন, আইএস নেতা আবু বকর আল-বাগদাদিকে হত্যার পর বেশ কয়েকটি শরণার্থী শিবিরের আইএস পরিবারের সদস্যরা খুশি হয়েছেন। তার মৃত্যুকে তারা উদযাপন করেছেন।
তিনি খুব গোঁড়া ছিলেন না বলেও দাবি করেন শামীমা। ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিলের পর বাংলাদেশ থেকে তার পাসপোর্ট পেতে চেষ্টা করেছিল পরিবার।
কিন্তু বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার নিশ্চিত করেছে যে তাকে নাগিরকত্ব দেওয়া হবে না কিংবা দেশের ভেতরেও ঢুকতে দেওয়া হবে না।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন বলেন, ব্রিটিশ নাগরিক ও আইএস সদস্য শামীমা বেগমকে গ্রহণ করা হবে না। বাংলাদেশের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই। ♦








