মুজিববর্ষের রাত ৮টা থেকে ২ ঘণ্টা অনুষ্ঠান চলবে
বঙ্গবন্ধুর জন্মক্ষণ ১৭ মার্চ রাত ৮টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে মুজিববর্ষের উৎসব।
টেলিভিশন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে সারাদেশ ও বিশ্বের মানুষের কাছে উপস্থাপন করা হবে।
এছাড়া জনসমাগম পরিহার করে বছরব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে দেশের জেলা ও উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠান শেষে এই তথ্য জানান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী।
তিনি বলেন, রাত ৮টা থেকে ২ ঘণ্টা অনুষ্ঠান চলবে। পুনর্বিন্যস্ত অনুষ্ঠান সূচি অনুযায়ী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ কয়েকটি জায়গা থেকে অনুষ্ঠান শুরু হবে। সংক্ষিপ্ত আকারে অনুষ্ঠান আয়োজনের পর থাকবে আতশবাজি ও তোপধ্বনি।
এর আগে বিকাল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত দেশের সব জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকদের মুজিববর্ষে করণীয়গুলো ব্যাখ্যা করা হয়।
ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকদেরও জনসমাবেশ পরিহার করে বছরব্যাপী অনুষ্ঠান উদযাপন করার নির্দেশ দেন ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী।
আগামী ২৫ মার্চ রাতে দেশে ১ মিনিট প্রতীকী ব্ল্যাক-আউট থাকবে। তবে কেপিআই, জরুরি স্থাপনা, চলমান যানবাহন এ কর্মসূটির আওতার বাইরে থাকবে।
২৬ মার্চ রাত্রে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবন/স্থাপনাগুলোয় আলোকসজ্জা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। স্বাধীনতা দিবসের দিন ঢাকাসহ দেশের সব জেলা ও উপজেলায় ৩১ বার তোপধ্বনি হবে।
ভিডিও কনফারেন্সে জেলা প্রশাসকরা সীমিত আকারে অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা জানান প্রধান সমন্বয়ককে।
কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক জানান, জেলার ৪ হাজার ভিক্ষুককে পুনর্বাসন করা হবে এবং মাদকসেবীদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার ব্যবস্থা করা হবে।
মুজিববর্ষে সব জেলা প্রশাসককে প্রবেশন আইন কার্যকরের উদ্যোগ নিতে নির্দেশ দেন প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।
তিনি বলেন, প্রথম লঘু অপরাধে কোনও শিশুর যেন শাস্তি না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। কারাগারে কোনও শিশু থাকলে নিশ্চিত হওয়ার পর প্রবেশন আইনের মাধ্যমে তাকে মুক্ত করতে হবে। ♦








