ভারতের নাগরিক বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে সৌদি আরবে
পুলিশ প্রতিবেদন গোপন করে জালিয়াতির মাধ্যমে ভারতের এক নাগরিককে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে রাজশাহী পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালকসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। দুই কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশিদ বাদী হয়ে রাজশাহীর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
দুদক রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, রাজশাহী পাসপোর্ট অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক আবজাউল হোসেনসহ আটজনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- ভারতের নাগরিক হাফেজ আহমেদ, পাসপোর্ট অফিসের এমএলএস রঞ্জু লাল, অফিস সহায়ক হুমায়ুন কবির, উচ্চমান সহকারী দেলোয়ার হোসেন, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর আলমাস উদ্দিন, ইব্রাহিম হোসেন ও মুদ্রাক্ষরিক আব্দুল ওয়াদুদ।
জাহাঙ্গীর আলম আরও জানান, ২০১৭ সালে ভারতের নাগরিক হাফেজ আহমেদকে একটি পাসপোর্ট প্রদান করেন রাজশাহী পাসপোর্ট অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক আবজাউল হোসেনসহ অভিযুক্ত এই আট কর্মকর্তা-কর্মচারী। মামলার এজাহারে তার ভারতীয় ঠিকানা উল্লেখ করা হয় নি।
হাফেজ আহমেদ ভারত থেকে সৌদি আরবে যাওয়ার সময় বাংলাদেশি এই পাসপোর্ট ব্যবহার করেন।
তিনি বলেন, পাসপোর্ট অফিসের এই জালিয়াতির বিষয়টি দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে তদন্ত করা হয়। ঘটনাস্থল রাজশাহী অফিসের আওতায় হওয়ায় মামলাটি এই অফিসে রেকর্ড করা হয়েছে।
দুদক জানিয়েছে, মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে পুলিশি প্রতিবেদন গোপন করে অবৈধভাবে পাসপোর্টটি দেওয়া হয়েছে।
পাসপোর্ট প্রস্তুত হয়ে যাওয়ার পর হাফেজের সমস্ত রেকর্ডপত্র গায়েব করে দেওয়া হয়। একটি গোয়েন্দা সূত্রে খবর পেয়ে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর তদন্ত করে। ♦








