নয়াপল্টনে গুলিবিদ্ধ একজনের মৃত্যু
রাজধানীর নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ একজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন।
প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া।
তিনি জানান, গুলিবিদ্ধ বিএনপি নেতাকর্মীদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ২০-২৫ জন হাসপাতালে এসেছেন। তাদের মধ্যে একজন মারা গেছেন।
বুধবার বেলা ৩টার দিকে নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘটনাস্থল থেকে প্রতিদিনের বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক বাছির জামাল জানান, ১০ ডিসেম্বরের কর্মসূচি সফল করতে সকাল থেকে নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকে। ‘সাজানো মামলায়’ গণগ্রেপ্তারের প্রতিবাদসহ নানা দাবিতে স্লোগান ও মিছিল করতে থাকে তারা। এতে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর আগেই সাঁজোয়া যান, প্রিজনভ্যান ও অতিরিক্ত স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন শুরু করে পুলিশ।
তিনি আরও জানান, বেলা ৩টার দিকে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করা শুরু করে। টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়তে থাকে তারা। এতে নেতাকর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। নিরাপদ স্থানে পৌঁছতে ছোটাছুটি শুরু করেন তারা।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দাবি করেন, এখন পর্যন্ত গুলিবিদ্ধসহ শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। পুলিশ নয়াপল্টনের আশাপাশের গলিতে ঢুকে টিয়ালশেল ছুড়ছে এবং নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করছে।
ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার হায়াতুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘১০ তারিখের সমাবেশের এখনও চার-পাঁচ দিন বাকি, কিন্তু বিএনপি নেতাকর্মীরা আজ নয়াপল্টনে রাস্তা বন্ধ করে মিছিল-মিটিং শুরু করেছিল।
‘আমরা তাদের এসব বন্ধ করতে বলায় তারা পুলিশের ওপর হামলা করে। এরপর আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিয়েছি। বিএনপি কর্মীদের চারপাশ থেকে হামলার কারণে বাড়তি ফোর্স আনিয়েছি। বাড়তি সতর্কতার জন্য সোয়াট সদস্যরাও ঘটনাস্থলে এসেছে।’








