ফাহিমকে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানাতে তার অ্যাপার্টমেন্টে ভিড়
নিউ ইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের নিজ অ্যাপার্টমেন্টে নৃশংসভাবে খুন হন মোবাইল অ্যাপভিত্তিক রাইড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান পাঠাওয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফাহিম সালেহ। ওই অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ফাহিমের খণ্ডবিখণ্ড মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ফাহিমের নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডে নির্বাক হয়ে যায় বিশ্বের মানুষ। নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটির মানুষ শোকাহত।
নিউ ইয়র্ক থেকে ফৌজিয়া জে. চৌধুরী জানিয়েছেন, ফাহিম সালেহকে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানাতে তার ম্যানহাটনের ইস্ট হিউস্টন স্ট্রিটের অ্যাপার্টমেন্টের নীচে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে ভিড় জমাচ্ছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সকল শ্রেণিপেশার মানুষ। ফাহিম ওই অ্যাপার্টমেন্টের সাত তলায় থাকতেন।

ফাহিম সালেহকে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানাতে তার ম্যানহাটনের ইস্ট হিউস্টন স্ট্রিটের অ্যাপার্টমেন্টের নীচে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে ভিড় জমাচ্ছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সকল শ্রেণিপেশার মানুষ। -রূপসী বাংলা
মানুষ ভবনের সামনে ফুল, কার্ড রেখে ফাহিমকে ভালোবাসা জানাচ্ছেন, দু হাত বেঁধে মাথা নিচু করে নীরবতা পালন করছেন জানাচ্ছেন শ্রদ্ধা। প্রার্থনা করছেন ফাহিমের বিদেহী আত্মার প্রশান্তিতে।
রোববার নিউ ইয়র্ক শহরে একটু দূরে আপস্টেটের নিউ উইন্ডসরে জানাজার পর স্থানীয় নূর সিমেট্রিতে তাকে দাফন করা হয়। এদিন ফাহিমকে শ্রদ্ধা জানাতে নির্দিষ্ট ওই জায়গাটিতে যান রূপসী বাংলা সম্পাদক ও বাংলা চ্যানেলের প্রেসিডেন্ট শাহ্ জে. চৌধুরী। তিনি ফাহিমকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তার খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন এবং সেখানকার নাগরিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও দৃঢ় করবার ওপর জোর দেন।
কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট গোপাল সান্যাল ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, এ শহরে কোনও মৃত্যুদণ্ড নেই, কিন্তু এইরকম নৃশংস খুনির বাঁচার কোনও অধিকারও নেই। গোপাল সান্যাল ফাহিমের খুনির মৃত্যুদণ্ড দাবী করেন।
কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট শুভ রায় ফাহিমের খুনির সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন।
ফাহিমের খুনির সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবীতে উচ্চকিত ছিলেন এটিএন বাংলা ইউএসএ’র বার্তা সম্পাদক কানু দত্ত।
প্রসঙ্গত গেল ১৫ জুলাই নিউ ইয়র্ক ম্যানহাটনের নিজ অ্যাপার্টমেন্টে নৃশংসভাবে খুন হন উদ্যোক্তা ফাহিম সালেহ।
ফাহিম সালেহ হত্যার ঘটনায় তার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারীকে গ্রেফতার করেছে নিউ ইয়র্ক পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম- টাইরেস ডেভন হাসপিল। বয়স ২১ বছর। হাসপিলের বিরুদ্ধে নিউ ইর্য়কের আইনের সর্বোচ্চ চার্জ সেকেণ্ড ডিগ্রি মার্ডারের অভিযোগ আনা হয়েছে। ❑








