Our Concern
Ruposhi Bangla
Hindusthan Surkhiyan
Radio Bangla FM
Third Eye Production
Anuswar Publication
Ruposhi Bangla Entertainment Limited
Shah Foundation
Street Children Foundation
June 15, 2026
হেডলাইন
Homeআন্তর্জাতিকইরাকে চীনা বিনিয়োগ: বেইজিংয়ের মুখোমুখি নিয়ম-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা

ইরাকে চীনা বিনিয়োগ: বেইজিংয়ের মুখোমুখি নিয়ম-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা

ইরাকে চীনা বিনিয়োগ: বেইজিংয়ের মুখোমুখি নিয়ম-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা

সাম্প্রতিক সময়ে ইরাকের অভ্যন্তরে নিজেদের কার্যক্রম বাড়িয়েছে চীন। আর তা স্বল্পোন্নত এশিয়ান এবং আফ্রিকান দেশগুলোতে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাবের ক্ষেত্র বিকাশের ক্রমবর্ধমান প্রয়াসের একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।

জিওপলিটিকার এক কলামে বলা হয়েছে, চীন দীর্ঘদিন ধরে তাদের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) ব্যবহার করে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে অবকাঠামোগত ঋণ প্রদান করছে। এর মাধ্যমে তারা অঞ্চলগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে আসছে। আর যখন ঋণ পরিশোধ সম্ভব হয় না, তখন স্থানীয় ও কৌশলগত প্রধান সংস্থানগুলোকে ব্যবহার, প্রায়শই এসবের ওপর মালিকানা এবং নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করছে বেইজিং।

এটা বলতেই হবে যে, এই স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে অনেকেরই দুর্নীতি এবং অপকর্মের মাত্রা অধিক। যা চীনকে তাদের কৌশল বাস্তবায়ন করার জন্য আদর্শ লক্ষ্য করে তোলে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, মায়ানমার ও জিবুতির নাম। এসব প্রচেষ্টায় চীন ঐতিহ্যগতভাবে রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে মোকাবিলা এবং তাদের ওপর নির্ভর করতে পছন্দ করে। পাশাপাশি যেকোনো ধরনের সহযোগিতা শুরু করার জন্য একটি স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক প্রয়োজন। এইভাবে একটি আনুষ্ঠানিক উপায়ে বেইজিং কাজ করে। এই দৃষ্টিভঙ্গির সুবিধা হলো, তা অত্র অঞ্চলে বিরাজমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা থেকে চীনকে দূরে রাখে।

যাইহোক, ইরাকে চীনের সাম্প্রতিক তেল উদ্যোগ এই নীতি থেকে প্রস্থান বলে মনে হচ্ছে। এক্ষেত্রে চীন এই অঞ্চলে নিজেদের স্বার্থের জন্য একটি সুরক্ষাবলয় তৈরি করতে ইরাকের অভ্যন্তরে পরিচালিত ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ওপর নির্ভর করছে। চীনের তেল আমদানির তৃতীয় বৃহত্তম উৎস হয়ে উঠেছে ইরাক। কেবল ২০২১ সালে ইরাকে ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি অবকাঠামো চুক্তি করেছে বেইজিং। একই সঙ্গে বাগদাদ তার অবকাঠামো খাতে আরও চীনা বিনিয়োগ সুরক্ষিত করতে আগ্রহী।

এই বিনিয়োগের প্রেরণা এবং সময় কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়। অঞ্চলটি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চলমান প্রত্যাহার এবং সেখানে অস্থিতিশীলতা, সহিংসতা এবং স্থানীয় দুর্নীতি সহ সম্পদ সমৃদ্ধ অঞ্চলটিতে গভীর শূন্যতা তৈরি করেছে। চীন সেই সুযোগে নিজেদের সুবিধাজনক চুক্তিগুলো সুরক্ষিত করতে সক্ষম হয়েছে।

Share With:
Rate This Article