তুর্কির আদালতে মার্কিন দূতাবাসের কর্মীর ৯ বছরের কারাদণ্ড
একটি সন্ত্রাসী সংগঠনকে সহযোগিতার দায়ে তুরস্কে মার্কিন দূতাবাসের এক স্থানীয় কর্মীকে ৯ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন স্থানীয় একটি আদালত।
তবে এ রায়ে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ দুই ন্যাটো মিত্রের মধ্যে উত্তেজনার সবচেয়ে বড় উৎস হিসেবে সামনে এসেছে মাতিন তপুজের বিচার।- খবর রয়টার্সের
রাশিয়ার কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয় নিয়েও এই দুই মিত্রের বিবাদ রয়েছে। এ ছাড়া উত্তরপূর্ব সিরিয়ায় কুর্দিশ যোদ্ধাদের সমর্থন দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, যাদের সন্ত্রাসী সংগঠন মনে করে তুরস্ক।
মার্কিন ড্রাগ ইনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের(ডিইএ) অনুবাদক হিসেবে ইস্তানবুলের কনস্যুলেটে কাজ করতেন মাতিন তপুজ।
২০১৬ সালের তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানকে হটাতে সামরিক অভ্যুত্থানে সহায়তার অভিযোগে তাকে আট বছর ৯ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এই অনুবাদক। প্রথমে তার বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি ও সরকার পতনের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছিল।
মার্চে এক কৌঁসুলি বলেন, এসব অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেয়া উচিত। তার বদলে একটি সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্য হিসেবে তিনি ১৫ বছরের কারাদণ্ডের মুখোমুখি হতে পারেন।
এ বিষয়ে জানতে মাতিনের দুই আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তাকে পাওয়া যায় নি।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এক বিবৃতিতে বলেন, আদালতের রায়ে সমর্থনে কোনও বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্যপ্রমাণ নেই। এই কারাদণ্ডের কারণে তুর্কিশ প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আস্থা খর্ব হবে। ⛘
এ বিষয়ে তুর্কির যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাম্বেসি টুইটারে একটি বিবৃতি দিয়েছে-
U.S. officials observed every hearing in the trial of Metin Topuz in Istanbul, and we are deeply disappointed in today's decision. We have seen no credible evidence to support this conviction and hope it will swiftly be overturned.
— U.S. Embassy Turkey (@USEmbassyTurkey) June 11, 2020








