যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি আড়াই মিনিটে একজনে মৃত্যু
করোনাভাইরাসে আমেরিকার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা নিউ ইয়র্কের। জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ৬২ বাংলাদেশিসহ মৃত্যু হয়েছে ৮ হাজার ৪৫২ জন। তার মধ্যে ৩ হাজার ৫৬৫ জনই নিউ ইয়র্কের। বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গোটা আমেরিকায় আক্রান্তের প্রায় সংখ্যার অর্ধেকই নিউ ইয়র্ক থেকে। আমেরিকায় এই মুহূর্তে আক্রান্ত ৩ লাখ ১১ হাজার ৩৫৭ জন। সেখানে নিউ ইয়র্কের আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ১৪ হাজার ১৭৪ জন।
মৃত্যুর তালিকায় রয়েছেন অনেক প্রবাসী বাংলাদেশিও। প্রাণহানি ৭ হাজার ছাড়িয়েছে।
ক্যালিফোর্নিয়ায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সরঞ্জামের দাবিতে রাস্তায় নার্সরা। নিউ ইয়র্কেও স্বল্পতা দেখা দিয়েছে চিকিৎসা সামগ্রীর। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ ঝেড়েছেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, নিউ ইয়র্কে আরও বেশি ভেন্টিলেটর থাকা উচিত ছিল। সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি সাহায্য করার। তবে আমাকে অন্য রাজ্যগুলোর কথাও মাথায় রেখে পরিকল্পনা করতে হচ্ছে।
একদিকে আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে, মৃত্যুও ঠেকানো যাচ্ছে না, এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসা সরঞ্জামের আকাল নিউ ইয়র্কের পরিস্থিতিতে আরও সঙ্কটময় করে তুলেছে। এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কুয়োমো।
তিনি বলেন, অত্যন্ত সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি আমরা। এই পরিস্থিতিকে দ্রুত স্বাভাবিক ছন্দে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
যেভাবে আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে শহরে, তাতে ভেন্টিলেশন সিস্টেমের জোগান দিয়েও কুলনো যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে দেওয়া যাবে না বলেও মন্তব্য করেন কুয়োমো।
বিশ্বে সংঘর্ষকবলিত এলাকাগুলোতে করোনা পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির শঙ্কা জাতিসংঘের।◉








