২০ বিধায়ক কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে
জ্যোতিরাদিত্যা সিন্ধিয়ার পদত্যাগ করার খবর দিয়ে শুরু। এরপর একে একে বিধায়কের সংখ্যা বাড়ছে। মধ্যপ্রদেশে এখন পর্যন্ত ২০ জন কংগ্রেস বিধায়ক পদত্যাগ করলেন।
মঙ্গলবার সকাল থেকে ২০ জন বিধায়কের পদত্যাগ বিপদে ফেলে দিয়েছে রাজ্যটির শাসক কংগ্রেসকে। যে কোনও সময় তাদের সরকারের পতন হতে পারে।
এদিকে, এরা সবাই মঙ্গলবারই বিজেপিতে যোগ দেবেন বলে জানা গিয়েছে। ইতোমধ্যেই শিবরাজ সিং চৌহানের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বিধায়ক বিসাহুলাল সিং।
বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কমল নাথ বলেন, আমি বিজেপিতে যোগ দিয়েছি। আগামীদিনে আরও অনেক কংগ্রেস বিধায়ক পদত্যাগ করবেন। তারা কমল নাথ সরকারের কাজকর্মে হতাশ।
নাটক শুরু হয়েছে সোমবার থেকে। আচমকা বেপাত্তা হয়ে যান সিন্ধিয়া সহ বেশ কয়েকজন বিধায়ক। তারপরই মধ্যপ্রদেশের রাজনীতি নতুন মোড় নেয়। কমলনাথ সরকারের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যায়। মঙ্গলবারই নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করার পর আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেস ছাড়ার কথা জানিয়ে দেন সিন্ধিয়া পরিবারের এই তরুণ নেতা।
২৩০ বিধানসভা আসনের মধ্যে ১২০ জন বিধায়ক নিয়ে মধ্যপ্রদেশে সরকার গড়েছিল কংগ্রেস। যা প্রয়োজনীয় সংখ্যার থেকে ৪ বেশি। অন্যদিকে বিজেপির রয়েছে ১০৭ জন বিধায়ক। এমন জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ২০ জন বিক্ষুব্ধ বিধায়ক যদি সমর্থন তুলে নেন, তাহলে কমল নাথের সরকার টিকিয়ে রাখা অসম্ভব হবে।
এর কিছুক্ষণ পরই কংগ্রেসের তরফ থেকে জানানো হয়, দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে জোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে। বর্ষীয়ান নেতা কেসি বেনুগোপাল একথা জানিয়েছেন। দল বিরোধী কাজের জন্য তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে দাবি কংগ্রেসের।
একদিকে যখন প্রবল চাপের মুখে কমলনাথ সরকার অন্যদিকে তখন জরুরি বৈঠকে বসলেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা। ১০ জনপথে সোনিয়া গান্ধীর বাসভবনে শুরু হয়েছে এই বৈঠক। কংগ্রেসের শীর্ষস্তরের নেতারা এই বৈঠকে যোগ দিয়েছেন। ♦








