লকডাউন নিউ ইয়র্ক
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যকে ‘লকডাউন’ করা হয়েছে। মানুষের জীবনের জন্য পরিহার্য এমন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব বন্ধ থাকবে।
গত এক সপ্তাহে বিশ্বব্যাপী করোনভাইরাস থেকে মৃতের সংখ্যা দ্বিগুণ হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০ মার্চ শুক্রবার সংবাদ মাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রেট জার্নাল এই তথ্য জানিয়েছে।
করোনাভাইরাসের সঙ্কটের প্রতিক্রিয়া হিসাবে শুক্রবার ক্যালিফোর্নিয়া এবং নিউইয়র্ক শহরের জরুরি অবস্থার জোরদার করেছে। সেখানকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়িদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে দেশটি।
ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম বলেন, এই এলাকার চল্লিশ লাখ বাসিন্দাকে বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেওয়ার পরে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
নিউইয়র্ক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমো বলেন, রাজ্যের সকল কর্মীকে প্রয়োজনীয় সকল ধরণের সেবা দেওয়া হবে। প্রত্যেকে বাড়িতে নিরাপদে থাকুন এবং সরকারি আইন মানুন। যদি কেউ সরকারি আইন মেনে না চলেন তাহলে তাদের জরিমানা গুণতে হবে।
তিনি জানান, অন্য অন্য রাজ্যের চেয়ে নিউইয়র্কের করোনাভাইরাসে সংক্রমণে আক্রান্ত রয়েছে ৭ হাজার ১০২ জনের। নিউইয়র্ক শহরে আক্রান্তের সংখ্যা দুই কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে।
ইতোমধ্যে হাসপাতালগুলোতে চাপ বাড়ছে।
যুক্তরাষ্ট্রে গত সপ্তাহে মৃত্যুর হার বেড়েছে। গত ১৩ মার্চ আক্রান্তের সংখ্যা ছিল মাত্র ১ হাজার ৭০০ জন।
কিন্তু এক সপ্তাহের ব্যবধানে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৪ হাজার ৩৩২ জনে। বর্তমানে আক্রান্তের সংখ্যা ১৯ হাজার ৬৫০ জন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি রাজ্যে নিউ ইয়র্ক , ওয়াশিংটন এবং ক্যালিফোর্নিয়া। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি। এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে মারা গেছে ২৬৩ জন।♦








