যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির নেতাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির নেতারা দলটির সভাপতি ও যুগ্ন সম্পাদকের এক বিবৃতির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা বলেন, বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও স্যোশাল মিডিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ও যুগ্ন সম্পাদকের একটি বিবৃতি দেন। এক মতবিনিময় সভায় বিবৃতিটিকে নেতারা দূরভিসন্ধিমূলক আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করে বলেন, সিদ্দিকুর রহমান দায়িত্ব গ্রহণ থেকে আজ অবধি দলকে গঠনতান্ত্রিক নিয়মে পরিচালনা করেন নাই। অভিযোগে বলা হয়, তিনি আর্থিক অনিয়ম, সংগঠনের নিয়ম নীতি বহির্ভূত কার্যক্রম, সম্মেলনের নামে আর্থিক সুযোগ সুবিধা নেওয়া, দলীয় পদে বাণিজ্যিকরণ, অসংলগ্ন বক্তব্য ও বিবৃতির মাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি বিনষ্টকরণ, যথাযত মর্যাদায় জাতীয় দিবস সমূহ পালনে ব্যর্থতা, সর্বোপরি সংগঠনের ঐক্য, শৃঙ্খলা এবং সংহতি বিনষ্টের অভিযোগে সর্বমহলে তিনি ইতিমধ্যে অভিযুক্ত।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলের হাই কমান্ডও এসব অনিয়মের কারণে বিগত চার বছর থেকে তাকে দলের গুরুত্বপূর্ণ কোনো কার্যক্রমে সিদ্দিকুর রহমানকে সংশ্লিষ্ট হতে দিচ্ছেন না। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ মনে করেন অনেক আগেই তার দলের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেওয়া উচিত ছিল। তিনি সেটা না করে নানা ছলচাতুরী এবং মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে নিজেকে রক্ষার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করে বলেন, ছলচাতুরী এবং মিথ্যাচারের অংশ হিসাবে দলে পদ বন্টনের সুবিধা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে সিদ্দিকুর রহমান প্রথমে কার্যকরি কমিটির সভা, পরবর্তীতে বর্ধিত সভা ইত্যাদি নামে কার্যকরি কমিটির মাত্র ৭ জন সদস্য নিয়ে সভা করে দলের পরীক্ষিত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছেন। সভায় তিনি অযাযিত ভাবে সজীব ওয়াজেদ জয়ের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগত ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টা করেছেন। নেতৃবৃন্দ তীব্র ভাষায় এই অপচেষ্টার প্রতিবাদ জানিয়ে তাকে এধরনের দূরভিসন্ধি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তির পক্ষে যাদের নাম উল্লেখ করা হয় তারা হলেন, সিনিয়র সহ সভাপতি এম ফজলুর রহমান, সহ সভাপতি আকতার আহমদ, সৈয়দ বশারত আলী, মাহবুবুর রহমান, ডা. মোহাম্মদ আলী মানিক, সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক নিজাম চৌধুরী, যুগ্ন সম্পাদক আইরিন পারভিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমদ, মহি উদ্দিন দেওয়ান, আব্দুল হাছিব মামুন, আব্দুর রহিম বাদশা, চন্দন দত্ত, সম্পাদক কাজী কয়েছ, শাহ বখতিয়ার, কৃষিবিদ আশরাফুজ্জামান, জাহাঙ্গীর হোসেন, এম এ করিম জাহাঙ্গীর, মুজাহিদুল ইসলাম, মনসুর খান, মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, ডা. আব্দুল বাতেন, মাহবুবুর রহমান টুকু, দেওয়ান বজলু, শিরিন আখতার দিবা, ড. রুবেল, এড আব্দুর রহমান মামুন, জালালউদ্দিন রুমি, নুর আলম চৌধুরী, সদস্য হিন্দোল কাদির বাপ্পা, অহিদুর রহমান মুক্তা, আজিজুর রহমান সাবু,আখতার আহমদ চৌধুরী, ডেনি চৌধুরী, শাজাহান চৌধুরী, সামছুল আবেদীন, শরাফ সরকার, আমিনুল ইসলাম কলিন্স, খুরশিদখন্দকার, হাজী নিজাম, আব্দুল হামিদ, আলী হুসেন গজনবী, আতাউল গনি আসাদ ময়নুল হক, শরীফ কামরুল হাসান হিরা, মস্তফা কামাল পাশা, রেজাউল করিম চৌধুরী, আলাউদ্দিন জাহাঙ্গীর, হারুণ আহমদ, মহসিন রিপন, আজহারুল ইসলাম লিটন, নুরুন নবী চৌধুরী, রফিক পাটেয়ারী, ইকবাল কবির, আমিন কতোয়াল, মীর নিজামুল হক।








