যুক্তরাষ্ট্রে এক-তৃতীয়াংশ ভাড়াটে বাড়ি ভাড়া পরিশোধ করতে পারে নি
চলতি মাসে এক-তৃতীয়াংশ মার্কিন ভাড়াটে যথাসময়ে তাদের ভাড়াই পরিশোধ করে নি। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল মাল্টিফ্যামিলি হাউজিং কাউন্সিলের (এনএমএইচসি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সিএনএন জানায় যুক্তরাষ্ট্রে গেল মার্চে প্রায় এক কোটি মানুষ বেকার ভাতার জন্য আবেদন করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি ভাড়া বাসার তথ্য নিয়ে এনএমএইচসি একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে।
অ্যাপার্টমেন্ট খাত সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠনটি জানিয়েছে, ১ থেকে ৫ এপ্রিলের মধ্যে এসব বাসার ৬৯ শতাংশ ভাড়াটিয়া ভাড়া পরিশোধ করেছেন। অথচ ২০১৯ সালের এপ্রিলের একই সময়ে ৮৯ শতাংশ ভাড়াটিয়া তাদের ভাড়া পরিশোধ করেছিলেন।
গত ৫ মার্চের মধ্যেও ৮১ শতাংশ ভাড়াটিয়া ভাড়া পরিশোধ করেছিলেন।
বেকারত্ব বৃদ্ধি ও বাড়িভাড়া পরিশোধ না করা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে নভেল করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাবের নমুনা মাত্র। ভাইরাসটির সংক্রমণে মার্কিনিদের আর্থিক অসংগতি ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে।
যদিও পরিস্থিতি মোকাবেলায় ২ লাখ কোটি ডলারের প্রণোদনা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। সরকারিভাবে ভর্তুকি দেওয়া হয় এমন বাসার ভাড়াটিয়ারাও এর থেকে কিছু সহায়তা পাবেন।
কিন্তু বেশির ভাগ ভাড়া বাসাই বেসরকারি মালিকানাধীন, যারা এ সুবিধার অন্তর্ভুক্ত নয়। কিছু ক্ষেত্রে ভাড়াটিয়ার তাড়িয়ে না দেওয়ার শর্তে মালিকরা বন্ধকী রাখা সম্পত্তির বিপরীতে ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে ছাড় পাবেন। আবার কিছু ক্ষেত্রে অপরিচিতরাই ভাড়া পরিশোধ করে দিচ্ছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে ৪ কোটি ৪০ লাখ ভাড়া বাসা আছে, এনএমএইচসি যার মধ্যে মাত্র ১ কোটি ৩৪ লাখের তথ্য দিয়েছে। এ কারণে পুরো চিত্র উঠে আসে নি বলে মনে করছেন অনেকে।
আবাসন খাতসংশ্লিষ্ট অলাভজনক সংস্থা এন্টারপ্রাইজ কমিউনিটি পার্টনার্সের সিইও প্রিসিলা অ্যালমোডোভার বলেন, এপ্রিলে যথাসময়ে ভাড়া পরিশোধ করার ক্ষেত্রে কিছুটা লজিস্টিক চ্যালেঞ্জ আছে।
মে মাসের আগে বেকার ভাতার আবেদনের প্রভাবের চিত্র বোঝা যাবে না। এ সংকটে কিছু বাড়ির মালিক অবশ্য ভাড়াটিয়াদের বিভিন্ন ধরনের ছাড় ও কিস্তিতে ভাড়া পরিশোধ করার সুযোগ দিচ্ছেন। ◉
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল








