মায়ানমারে নিহত পাঁচ, বাড়ছে সেনাশাসনের পরিধি
সেনাবিরোধী আন্দোলনে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পরদিন আরও কিছু এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে মায়ানমারের সেনাবাহিনী। বিবিসি জানায়, সামরিক আইন জারি হয়েছে ইয়াঙ্গুনের দুই জেলাসহ বেশ কিছু এলাকায়। এদিকে রয়টার্সের খবরে বলা হয়, সোমবার (১৫ মার্চ) মধ্যাঞ্চলের মিংগান ও অংলান শহরে আন্দোলন চলাকালীন পুলিশের গুলিতে পাঁচজন নিহত হয়।
রোববার ইয়াঙ্গুনে সেনাবাহিনীর হাতে আটক স্টেট কাউন্সেলর স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চির মুক্তির দাবি আন্দোলনরতদের ওপর হামলায় অন্তত ৩৮ জন নিহত হয়। এ সময় পশ্চিম ইয়াঙ্গুনে চীনের বিনিয়োগে পরিচালিত দুটি পোশাক কারখানায় আগুন দেওয়া হয়।
এরপরই ইয়াঙ্গুনের এসব এলাকায় সামরিক আইন জারি করে সেনা সরকার। সোমবার (১৫ মার্চ) এর পরিধি আরও বিস্তৃত করা হয়। যদিও এই হামলায় কারা জড়িত ছিল সে ব্যাপারে কোনো তথ্য জানা যায়নি।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা এএপিপির তথ্যমতে, ১ ফেব্রুয়ারির সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে এ পর্যন্ত মায়ানমারের আন্দোলনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২০ জনে।
মঙ্গলবার অং সান সু চিকে বিচারের জন্য আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে। এর এক দিন আগেই সেনা শাসনের পরিধি বাড়ানোর এমন সিদ্ধান্ত আন্দোলনকে আরও উস্কে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।❐








