ভারতে আদিবাসী কিশোরী গণধর্ষণের পর পাথর মেরে হত্যা
রূপসী বাংলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের ছত্তীসগড়ে ১৬ বছরের এক আদিবাসী কিশোরীকে ৬ জনে মিলে গণধর্ষণের পর তাকে পাথর মেরে হত্যা করা হয়েছে। ওই ৬ জনের বিরুদ্ধে শুধু কিশোরীকেই নয়, তার বাবা ও চার বছরের ভাইঝিকেও খুন করার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার সময় তারা নির্ধাতিতার সঙ্গে থাকায় তাদেরও খুন করা হয়েছে বলে পুলিশের ধারণা।
ভারতের গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে ছত্তীসগড়ের কোরবা জেলায় লেমরু থানার অন্তর্গত গাধুপ্রোদা গ্রামে গেল ২৯ জানুয়ারি এ ঘটনা ঘটলেও মঙ্গলবার তা প্রকাশিত হয়েছে। এরপরই অভিযুক্ত ৬ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে।
কোরবার পুলিশ সুপার অভিষেক মীনা জানান অভিযুক্ত ৬ যুবকের নাম সান্তারাম মাঝওয়ার ৪৫), আবদুল জব্বার
২৯), অনিল কুমার সারথি ২০). পরদেশি রাম পানিকা (৩৫), আনন্দ রাম পানিকা (২৫) ও উমাশঙ্কর যাদব (২১)। তারা
প্রত্যেকেই সাতরেঙ্গা জেলার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।
পুলিশ সুপার আরও জানিয়েছেন. গণধর্ষণের শিকার মেয়েটি বরপানি গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত সান্তারাম মাঝওয়ারের বাড়িতে গো-পালকের কাজ করতেন নির্যাতিতার বাবা। মাঝেমধ্যে নির্যাতিতাও সেখানে বাবাকে সাহায্য করতে যেত।
পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন সান্তারাম তাদের নিজের মোটরসাইকেলে করে তাদের বাড়ি পৌঁছে দিতে যাচ্ছিল। যাওয়ার পথে কোরাই গ্রামে গাড়ি থামিয়ে মদ্যপান করে সান্তারাম। সেখানে বাকি ৫জন ছিল।
এরপর ৬ জন মিলে তাদেরকে কাছের এক জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। এরপর পাথর মেরে ধর্ষিতা, তার বাবা ও ভাইঝিকে হত্যা করে। হত্যার পর মরদেহ জঙ্গলে ফেলে পালিয়ে যায়।
পরিবারের লোকেদের খোঁজ না পেয়ে লেমরু থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন ধর্ষিতার বড়ভাই। তারপরে ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে সান্তারামকে জেরা করলে সে সব কথা স্বীকার করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জঙ্গলে গিয়ে দেখে বাকি দু’জন মারা গেলেও ধর্ষিতা মেয়েটি তখনও বেঁচে রয়েছে। পরে মেয়েটিকে
হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।❐
জা.আ








