বুড়িগঙ্গায় অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে লঞ্চডুবি
রাজধানীর বুড়িগঙ্গা নদীতে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি লঞ্চ ডুবে গেছে।
সোমবার সকাল ৯টার দিকে সদরঘাটের শ্যামবাজার পয়েন্টে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস।
এ যাত্রীবাহী লঞ্চডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৬ জনের লাশ উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে ৫ জন নারী ও ২ জন শিশু রয়েছে। নিখোঁজ অন্যদের উদ্ধারে এখনও অভিযান অব্যাহত রেখেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও কোস্ট গার্ড।
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার জানান, ময়ূর-২ নামের একটি লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মর্নিং বার্ড লঞ্চটি ডুবে যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। এখনও হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।
সূত্রে জানা গেছে, সকাল পৌনে ৮টার দিকে মর্নিং বার্ড লঞ্চটি অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে মুন্সীগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে। পথে ফরাশগঞ্জ এলাকায় ময়ূর-২ নামের লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে ডুবে যায় সেটি।
কেরানীগঞ্জের একটি ডকইয়ার্ড থেকে মেরামত শেষে ময়ূর-২ নদীতে নামানোর সময় ওই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
ডুবে যাওয়া লঞ্চটি থেকে কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে পাড়ে উঠলেও অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এদিকে খবর পেয়ে উদ্ধার কাজে অংশ নিতে নারায়ণগঞ্জ থেকে বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। অভিযান শেষে হলে বিস্তারিত জানাবে ফায়ার সার্ভিস।
ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ হোসাইন ঘটনাস্থলে উদ্ধার তৎপরতা শেষে প্রাণহানির সঠিক সংখ্যা জানানো হবে।
বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক (বন্দর) একেএম আরিফ উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, সকাল ৯টার দিকে মুন্সীগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা মর্নিং বার্ড লঞ্চটি সদরঘাটে বার্দিং করার আগ মুহূর্তে চাঁদপুরগামী ময়ূর-২ লঞ্চটি ধাক্কা দেয়। এতে সঙ্গে সঙ্গে তুলনামূলক ছোট মর্নিং বার্ড লঞ্চটি ডুবে যায়। এ সময় লঞ্চটিতে কমপক্ষে অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিলেন বলে জানান তিনি। ⛘








