পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে স্থায়ী শান্তি চায়
কাশ্মীর ইস্যুতে আলোচনার মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে স্থায়ী শান্তি চায় পাকিস্তান। এমনটাই জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। এদিকে দিল্লি জানিয়েছে, সন্ত্রাস, শত্রুতা ও সহিংসতামুক্ত পরিবেশে ইসলামাবাদের সঙ্গে স্বাভাবিক প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায় ভারত।
ব্রিটেন থেকে স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই কাশ্মীর নিয়ে দ্বন্দ্বে ভারত-পাকিস্তান। অঞ্চলটি নিয়ে দুবার যুদ্ধে জড়ায় প্রতিবেশী এই দুই রাষ্ট্র। ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে কর্মসংস্থানের অভাব এবং বৈষম্যের অভিযোগ বহু পুরানো। অন্যদিকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও ইচ্ছাকৃতভাবে অঞ্চলটিতে সংকট সৃষ্টির অভিযোগ বারবারই জানিয়েছে দিল্লি। তবে বহুদিনের এ সংকট কাটাতে এবার শান্তি আলোচনায় যাওয়ার কথা জানাল পাকিস্তান।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, রোববার (২১ আগস্ট) হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। এসময় তিনি বলেন, কাশ্মীর ইস্যুতে দিল্লির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চায় ইসলামাবাদ। জাতিসংঘের রেজুলেশন অনুযায়ী অঞ্চলটির সমস্যা সমাধান করতে পাকিস্তানের আগ্রহের কথাও জানান শাহবাজ। তিনি বলেন, বাণিজ্য, অর্থনীতি এবং জনগণের উন্নয়নে দুই দেশের মধ্যে প্রতিযোগিতা হতে পারে, যুদ্ধ নয়।
এদিকে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ভাষণ সরাসরি সম্প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে পাকিস্তান ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, সম্প্রতি এক জনসভায় ইসলামাবাদের পুলিশ কর্মকর্তা ও এক নারী ম্যাজিস্ট্রেটকে হুমকি দেন ইমরান। তার বক্তব্যকে উসকানিমূলক ও দেশটির সংবিধানের পরিপন্থি উল্লেখ করে সাবেক পাক প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ সরাসরি প্রচার করা যাবে না বলে বিবৃতিতে জানানো হয়। এরইমধ্যে পাকিস্তানের সব টেলিভিশন চ্যানেলকে ইমরান খানের ধারণকৃত বক্তব্য পর্যবেক্ষণের পর প্রচারের নির্দেশ দিয়েছে সংস্থাটি।
ইমরান খানের ভাষণ সরাসরি সম্প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কয়েক ঘণ্টা পরই রাওয়ালপিণ্ডিতে রোববার জনসভা করার ঘোষণা দিয়েছে তার দল পাকিস্তান তেহরিক–ই–ইনসাফ (পিটিআই)।








