কংগ্রেসের সংবিধান পাঠের মধ্য দিয়ে রাজঘাটে সিএএ-প্রতিবাদ
গত শুক্রবার একটি ভিডিয়ো বার্তায় নরেন্দ্র মোদী সরকারের সিএএ-র বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তিকালীন সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী। তাতে এই আইনকে বৈষম্যমূলক আখ্যা দেন সনিয়া। আজ রাজঘাটে সনিয়ার আহ্বানে সংবিধান পাঠের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে নীরব প্রতিবাদ করেন তাঁরা।
এ দিন দুপুর থেকে রাজঘাটে মোহনদাস কর্মচন্দ গান্ধীর সমাধিস্থলে উপস্থিত হন রাহুল গাঁধী, প্রিয়ঙ্কা গাঁধী বঢরা-সহ কংগ্রেস নেতারা। কর্মসূচি শুরুর আগেই এ দিন দেশের যুবসমাজের প্রতি রাহুলের আহ্বান ছিল, ‘মোদী-শাহ ভারতের প্রতি যে ঘৃণা ও হিংসা বর্ষণ করছেন, তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে রাজঘাটে আজ বেলা ৩টেয় জমায়েত হোন।’
রাহুলের মতোই টুইটারে প্রিয়ঙ্কার আহ্বান ছিল, ‘সংবিধান আমাদের শক্তি। বিভাজনের রাজনীতি থেকে আমাদের দেশকে রক্ষা করতে হবে। আসুন, সংবিধান পাঠে আমার সঙ্গে অংশ নিন।’
সোমবার সনিয়া গান্ধীর নেতৃত্বে নয়াদিল্লির রাজঘাটে ধর্নায় বসলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-সহ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা। উপলক্ষ, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ)-এর বিরোধিতায় সত্যাগ্রহ পালন। এ দিনও দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বেলা ৩টে থেকে রাজঘাটে শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভের সূচনা করে কংগ্রেস। রাত ৮টা পর্যন্ত তা চলবে বলে দলীয় সূত্রে খবর।
কংগ্রেসের দাবি, নয়া নাগরিকত্ব আইন বলবৎ হলে তাতে বৈষম্যের শিকার হবে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। আঘাত নেমে আসবে সংবিধান বর্ণিত নাগরিকের মৌলিক অধিকারে। সেই সংবিধান রক্ষাতেই এ দিন রাজঘাটে ধর্নায় সংবিধানের প্রস্তাবনা পাঠ করেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, সনিয়া, প্রিয়ঙ্কা, রাহুল-সহ কংগ্রেস নেতারা। এই অবস্থান বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ এবং রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত। রাজঘাটে উপস্থিত ওই নেতারা সংবিধানের মৌলিক অধিকার রক্ষার আহ্বান জানান।








