ইসরায়েল জাতিসংঘ মানবাধিকার কর্মীদের ভিসা বন্ধ করল
জাতিসংঘের মানবাধিকার কর্মীদের ফিলিস্তিনে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না ইসরায়েল। যারা ইসরায়েলে আছে, তাদের জোর করে বের করে দেয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনি পপতারকা মোহাম্মদ আসাফকেও ফিলিস্তিনে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না।
নতুন করে ভিসা না দেয়ায় কান্ট্রি ডিরেক্টর জেমস হিনানসহ নয়জন জাতিসংঘ মানবাধিকার কর্মকর্তা ও কর্মী ইসরায়েল-ফিলিস্তি সীমান্ত থেকে চলে আসেন। ফেব্রুয়ারি মাসে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি স্থাপনের সঙ্গে জড়িত রয়েছে, এরকম ১০০টি কোম্পানির তালিকা প্রকাশের পর ইসরায়েল জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। খবর আল জাজিরার।
হিউম্যার রাইটস ওয়াচের ইসরায়েল-ফিলিস্তিন অঞ্চলে পরিচালক ওমর শাকির বলেছেন, ইসরায়েল মানবাধিকার সংস্থার পর্যবেক্ষকদের জোর করে বের করে দিয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য ফিলিস্তিনে তাদের অবৈধ তৎপরতার কোনো খবর যাতে প্রচার না পায়। এটা হলো ফিলিস্তিনের ওপর তাদের চালানো দমনপীড়ন গোপন করার কুৎসিত কৌশল।
বর্তমানে আম্মানে কর্মরত ওমর শাকির বলেন, এটা হলো যেসব মানবাধিকার সংস্থা ইসরায়েলের অবৈধ কর্মকাণ্ড তথা মানবাধিকার লঙ্ঘনের সমালোচনা করে থাকে, তারা যাতে আর সেখানে ঢুকতে না পারে সেটা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা।
ইসরায়েল যদি এর মাধ্যমে সমালোচনা বন্ধ করতে চায়, তাহলে তাদেরসে চেষ্টায় কোনো ফল হয়নি বলে মন্তব্য করে শাকির বলেন, অধিকারকর্মীরা আগের চেয়ে বেশি করে ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবেই। মানবাধিকারকর্মীদের চুপ করিয়ে দেয়ার মানে হলো তাদের অপকর্মের দিকে মানুষের মনোযোগকে আরো বেশি আকর্ষণ করা।
এই করোনাকালে মানবাধিকারকর্মীরা সত্য উদ্ঘাটন করে তা মানুষকে অবহিত করবে বলে জানান ওমর শাকির।
ফিলিস্তিনের একজন পপতারকা মোহাম্মদ আসাফকেও দেশে ফিরতে দিচ্ছে না বলে জানায় মানবাধিকার সংস্থার কর্মীরা। ২০১৩ সালে আরব আইডল হিসেবে নির্বাচিত হওয়া আসাফ এখন বিখ্যাত এক সঙ্গীত তারকা। ইসরায়েলি রাজনীতিবিদরা জানান, ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করার পর ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তার ওপর খাপ্পা হয়ে উঠেছে। সে জন্য তাকে নিজের ভূমিতে ফিরতে দিচ্ছে না ইসরায়েলি প্রশাসন।❐








