Our Concern
Ruposhi Bangla
Hindusthan Surkhiyan
Radio Bangla FM
Third Eye Production
Anuswar Publication
Ruposhi Bangla Entertainment Limited
Shah Foundation
Street Children Foundation
June 14, 2026
হেডলাইন
Homeপ্রধান সংবাদবঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী মাজেদের স্ত্রীর হাহাকার, চাকরি চাইলেন মমতার কাছে

বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী মাজেদের স্ত্রীর হাহাকার, চাকরি চাইলেন মমতার কাছে

বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী মাজেদের স্ত্রীর হাহাকার, চাকরি চাইলেন মমতার কাছে

বঙ্গবন্ধুর খুনি আব্দুল মাজেদের ফাঁসির খবর শুনে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তার ভারতীয় স্ত্রী জরিনা বেগম। আগে থেকেই স্নায়ুরোগে ভুগছিলেন জরিনা। এই অসুখের কারণে হঠাৎ করেই তার হাত-পা শিথিল হয়ে যায়। স্বামী হারানোর আঘাত যেন সেই অসুখে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে। বাগনানে বাপের বাড়িতে এখন কার্যত শয্যাশায়ী জরিনা বেগম।

তিনি বলেন, মাত্র ২২ বছর বয়সেই প্রথম স্বামীকে হারিয়েছিলাম। তার প্রায় আট-নয় বছর বাদে পাশের গ্রামের এক উকিলের মাধ্যমে পরিচয় হয় আব্দুল মাজেদের। তারপর বিয়ে। আমরা ভেবেছিলাম, উনি বয়স্ক মানুষ, পেশায় মাস্টারমশাই। তাই বিয়ে করেছিলাম। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, মানুষটাকে চিনতে পারিনি! এত কথা, আমার কাছে সব গোপন করেছে মানুষটা! পরে জানলাম, উনি নাকি বাংলাদেশে মুজিবুর রহমানের মতো মানুষকে খুন করেছেন! ঠিক বিশ্বাস হচ্ছে না। রাগি হলেও মানুষ হিসেবে ভালোই ছিল। কী জানি, আমিই হয়তো চিনতে ভুল করেছি!

এ পক্ষের ছ’ বছরের মেয়ে হুমায়রা ছাড়াও জরিনার প্রথম পক্ষের এক মেয়ে রয়েছে। বয়স ১৭-১৮ হবে। স্বামীকে হারিয়ে এখন কী করে তিনজনের সংসার চালাবেন, ভেবে কূল পাচ্ছেন না তিনি। তাই মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চাকরির আবেদন জানিয়েছেন জরিনা। মূখ্যমন্ত্রীকে বলেন, আমাদের তো কোনও দোষ নেই। আমরা একজন মানুষকে ভরসা করেছিলাম। সরকার পাশে না দাঁড়ালে আমার সংসারটা ভেসে যাবে।

জরিনার কথায়, স্বামী নিখোঁজ হওয়ার পর আমি অনেকবার থানা-পুলিশ করেছি। কিন্তু খোঁজ দিতে পারে নি কেউ। মাস দেড়েক এভাবে চলার পর যখন হাল ছেড়ে দিয়েছি, তখনই খবর পেলাম বাংলাদেশে ধরা পড়েছে আমার আলি আহমেদ। এই নামেই থানায় মিসিং ডায়েরি করেছিলাম। ৭ এপ্রিল মীরপুরে গ্রেপ্তারের খবর চাউর হতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিসহ তা ছড়িয়ে পড়ে। সেখান থেকেই প্রথম জানলাম। তারপর অন্যান্য সংবাদপত্রেও সেই খবর বেরিয়েছে। সেদিন বুঝলাম আলি আহমেদই আসলে আব্দুল মাজেদ।

মোবাইলে আব্বার ছবি বের করে সমানে কেঁদে চলেছে ছ’বছরের মেয়েটি। পার্ক স্ট্রিটের একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ছাত্রী হুমায়রা জেনে গেছে, তার ‘আব্বা’ আর ফিরবে না। আর কোনওদিন তাকে ইংরেজিও পড়াবে না। বাংলাদেশে তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।◉

 

Share With:
Rate This Article