এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে মারা গেছে ৫৩ হাজার ২৩৭ জন
২০০টিরও বেশি দেশে আক্রমণ করা করোনায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছে ৫৩ হাজার ২৩৭ জন মানুষ।
এছাড়া এখন পর্যন্ত ১০ লাখ ১৬ হাজার ৩১০ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। অপরদিকে, হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ লাখ ১৩ হাজার ১৩১ জন।
সেই হিসেবে এই ভাইরাসে প্রায় প্রতি ৫ জনে একজন সুস্থ হয়েছে। আর প্রতি ১৯ জনে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
সবমিলিয়ে, আক্রান্তদের মধ্যে ৭ লাখ ৪৯ হাজার ৮৫৭ জন এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে ৭ লাখ ১২ হাজার ১৬১ জনের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। আর ৩৭ হাজার ৬৯৬ জনের অবস্থা গুরুতর।
চীন থেকে শুরু হলেও দেশগুলোর মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে আক্রান্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৪৪ হাজার ৮৭৭ জন আক্রান্ত হয়েছে। আর মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৭০ জনের। ইতালিতে ১ লাখ ১৫ হাজার ২৪২ জন আক্রান্ত হয়েছে বিপরীতে মারা গেছে ১৩ হাজার ৯১৫ জন। এখন পর্যন্ত করোনা য় সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে ইতালিতে।
এছাড়া স্পেনে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ১২ হাজার ৬৫ জনে আক্রান্ত হয়েছে বিপরীতে ১০ হাজার ৩৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। জার্মানিতে ৮৪ হাজার ৭৯৪ জন আক্রান্ত, মৃত্যু ১ হাজার ১০৭। চীনে আক্রান্ত ৮৪ হাজার ৭৯৪, মৃত্যু ৩ হাজার ৩১৮। ফ্রান্সে আক্রান্ত ৫৯ হাজার ১০৫, মৃত্যু ৫ হাজার ৩৮৭। ইরানে আক্রান্ত ৫০ হাজার ৪৬৮ , মৃত্যু ৩ হাজার ১৬০। যুক্তরাজ্যে আক্রান্ত ৩৩ হাজার ৭১৮, মৃত্যু ২ হাজার ৯২১। সুইজারল্যান্ডে আক্রান্ত ১৮ হাজার ৮২৭, মৃত্যু ৫৩৬। তুরস্কে আক্রান্ত ১৮ হাজার ১৩৫, মৃত্যু ৩৫৬। বেলজিয়ামে আক্রান্ত ১৫ হাজার ৩৪৮, মৃত্যু ১ হাজার ১১। নেদারল্যান্ডসে আক্রান্ত ১৪ হাজার ৬৯৭, মৃত্যু ১ হাজার ৩৩৯। কানাডায় আক্রান্ত ১১ হাজার ২৮৩, মৃত্যু ১৭৩। অস্ট্রিয়াতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত ১১ হাজার ১২৯ জন ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৮ জনে।
এছাড়া প্রতিবেশী দেশ ভারতে এ ভাইরাসে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৫৪৩ জন আক্রান্ত হয়েছে। আর দেশটিতে এখন পর্যন্ত প্রাণ গেছে ৭২ জনের। বাংলাদেশে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে এখন পর্যন্ত ৫৬ জন আক্রান্ত হয়েছে বিপরীতে প্রাণ গেছে ৬ জনের।
উল্লেখ্য করোনাভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। উপসর্গগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু।◉








