Our Concern
Ruposhi Bangla
Hindusthan Surkhiyan
Radio Bangla FM
Third Eye Production
Anuswar Publication
Ruposhi Bangla Entertainment Limited
Shah Foundation
Street Children Foundation
June 21, 2026
হেডলাইন
Homeআন্তর্জাতিকউহানে করোনায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষ মারা গেছে!

উহানে করোনায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষ মারা গেছে!

উহানে করোনায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষ মারা গেছে!

করোনাভাইরাসের সংক্রমণে চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে মারা যাওয়া মানুষের সঠিক সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার বলে দাবি উঠেছে। রেডিও ফ্রি এশিয়া কয়েকটি তথ্যের বরাত দিয়ে সম্প্রতি এই দাবি করেছে।

উহান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর প্রায় ২ হাজার ৫০০-এর মতো মানুষের মৃত্যু হয়েছে সেখানে। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা এই সংখ্যা নিয়ে সন্দেহ করছেন। তাদের ধারণা এই সংখ্যা অনেক বেশি।

রেডিও এশিয়া বলছে, উহানের সাতটি শ্মশানে কয়েকদিন ধরে দিনে প্রায় ৫০০ মানুষের মৃতদেহ পোড়ানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ মৃতের যে সংখ্যা বলছে, তার থেকে মৃতের সংখ্যা কয়েক গুণ বেশি।

উহানের বাসিন্দা ঝ্যাং বলেন, কর্তৃপক্ষ মৃতের যে সংখ্যা জানিয়েছে এটা মোটেও সঠিক নয়। দিন-রাত কাজ করছে মৃতদেহ পোড়ানোর চুল্লি। মৃতের সংখ্যা এত কম কিভাবে হয়?

তিনটি শহরের মৃতদেহ পোড়ানোর জন্য মোট সাতটি শ্মশান ব্যবহার হচ্ছে উহানে। চীনের সাময়িকী ক্যাক্সিন ডটকমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উহানের হানকাউ শ্মশানে মৃতদেহ পোড়ানোর পর একদিনেই তার ছাইভর্তি পাঁচ হাজার কলসি ফেরত এসেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীরা এই তথ্য উল্লেখ করে একটি হিসেব কষেছেন। কেউ কেউ বলছেন, প্রতিদিন সাতটি শ্মশানে মোট ৩ হাজার ৫০০টি কলসি ফেরত দেওয়া হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ মারা যাওয়া ব্যক্তিদের দেহ পোড়ানো নিয়ে যে তথ্য দিয়েছে তাতে মনে হচ্ছে, ২৩ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ১২ দিন ধরে তারা এইসব মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেলা শেষ করতে চান। এতে ধারণা করা যায়, এখন পর্যন্ত মোট ৪২ হাজার মানুষকে পোড়ানো হয়েছে।

আরেকটি হিসেবে দেখা যাচ্ছে, শ্মশানে মৃতদেহ পোড়ানোর যে সামর্থ্য রয়েছে; সে অনুযায়ী উহানে ৮৪টি চুল্লিতে ২৪ ঘণ্টায় ১৫৬০টি মৃতদেহ পোড়ানো সম্ভব। ওই শ্মশানগুলোতেও মৃতদেহ পোড়ানো হচ্ছে দিন-রাত। এ হিসেবে মৃতের সংখ্যা ৪৬ হাজার ৮০০।

গত ডিসেম্বরে হুবেইতে করেনার প্রথম অস্তিত্ব ধরা পড়ে; এরপর তা অন্যান্য শহর ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে।

হুবেইয়ের একজন বাসিন্দা বলেন, এই প্রদেশের অধিকাংশ বাসিন্দাই মনে করেন- লকডাউনের আগে এখানে ৪০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে করোনায়।

মাও নামের এই ব্যক্তি বলেন, মানুষ যাতে ধীরে ধীরে বাস্তবতা মেনে নিতে পারে সেজন্যই হয়ত কর্তৃপক্ষ ধীরে ধীরে মৃতের সঠিক সংখ্যা প্রকাশ করছে।

হুবেইয়ের সিভিল অ্যাফেয়ার্স ব্যুরোর একটি সূত্র জানিয়েছে, বাসায় অনেকে মারা গেছেন; যাদের করোনার পরীক্ষাই করা হয় নি। কেউ কেউ চিকিৎসাও পান নি।

সূত্রটি বলছে, যেখানে মৃতদেহ পোড়ানো হচ্ছে সেখানকার কর্তৃপক্ষই আসলে সঠিক তথ্যটি দিতে পারে।◉

Share With:
Rate This Article