রুশদির হামলাকারীর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার ইরানের
স্থানীয় সময় শুক্রবার (১২ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় সালমান রুশদির ওপর আকস্মিক হামলা হয়। তার ঘাড়, পেট ও বুকে ছুরিকাঘাত করে হামলাকারী।
ওই ঘটনার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে ইরানের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলা হয়, কিন্তু তা সরাসরি নাকচ করল তেহরান। সোমবার (১৫ আগস্ট) সংবাদ সম্মেলনে হামলার ঘটনায় আটক হাদী মাতারের সঙ্গে ইরানের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। উল্টো এ হামলার জন্য রুশদি নিজেই ও তার সমর্থকরা দায়ী বলে মন্তব্য করা হয়। হামলার পর এটি তেহরানের পক্ষ থেকে দেয়া প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসের কানানি বলেন, এ হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছি আমরা। ইরানকে অভিযুক্ত করার অধিকার কারো নেই। এ হামলার জন্য সালমান রুশদি এবং তার সমর্থকরা ছাড়া অন্য কাউকে আমরা দায়ী করতে পারছি না।
এদিকে তেহরানের এমন বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে ওয়াশিংটন। সোমবার সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নেড প্রাইস ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যের নিন্দা জানান।
নেড প্রাইস বলেন, ইরানের বক্তব্য নিন্দনীয় ও জঘন্য। ঘটনার তদন্ত এখনো অব্যাহত রয়েছে। আসল কথা হলো সালমান রুশদি কয়েক দশক ধরে হুমকি পেয়ে আসছিলেন। আর এটা গোপন করার মতো কিছু নয় যে, কয়েক বছর ধরে তাকে এই হুমকি দেয়ার পেছনে ইরানের হাত ছিল।
সালমান রুশদির ওপর হামলার পর লেবানিজ বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক হাদি মাতারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তিনি পরিকল্পিতভাবে হামলা করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়। যদিও হাদি হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার বিষয়টি অস্বীকার করেন।








