Our Concern
Ruposhi Bangla
Hindusthan Surkhiyan
Radio Bangla FM
Third Eye Production
Anuswar Publication
Ruposhi Bangla Entertainment Limited
Shah Foundation
Street Children Foundation
August 2, 2026
হেডলাইন
Homeপ্রধান সংবাদযুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে ডেমোক্রেটিক দুই বাংলাদেশি প্রার্থী

যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে ডেমোক্রেটিক দুই বাংলাদেশি প্রার্থী

যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে ডেমোক্রেটিক দুই বাংলাদেশি প্রার্থী

যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে ডেমোক্রেটিক প্রার্থী হওয়ার লড়াইয়ে নেমেছেন দুই বাংলাদেশি। তারা হলেন নাবিলা ইসলাম ও শানিয়াত চৌধুরী।
নাবিলা ডেমোক্রেটিক প্রার্থী হওয়ার লড়াইয়ে নেমেছেন জর্জিয়ার ৭ম জেলা থেকে। ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে কড়া সমালোচনা করে খবরের শিরোনাম হওয়া নাবিলাকে সমর্থন দিচ্ছে প্রভাবশালী এক প্রগতিশীল গ্রুপ।
অন্যদিকে শানিয়াত চৌধুরী মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা। তিনি ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসম্যান জর্জেরি মিকসের বড় প্রতিদ্বন্দ্বী। ২০১৮ সালে তিনি ওকাসিও কর্টেজের নির্বাচনি প্রচারণায় কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে তার।

এর আগে এবং এখনও পর্যন্ত মার্কিন কংগ্রেসে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নির্বাচিত প্রতিনিধি একজনই। ২০১০ সালে হানশেম হাশেম ক্লার্ক মিশিগানের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু দুই বছর পরই দায়িত্ব ছাড়তে হয় তাকে। আর নিনা আহমেদ নামে আরেক বাংলাদেশি প্রার্থী হওয়ার লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত সফল হন নি।

সোমবার সন্ধ্যায় টুইটে শানিয়াত বলেন, ‘করপোরেট যুক্তরাষ্ট্রে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেন ধনীদেরর প্রতিনিধিত্ব করছে। আর আমি লড়ছি একটি স্বচ্ছ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য, যেই আমেরিকা হবে আমাদের সবার জন্য, শুধু ধনীদের জন্য নয়।’
নাবিলা ইসলাম ও শানিয়াত চৌধুরী দুজনই দারুণ শুরু করেছেন। তাদের রেকর্ডও ভালো। তবে সামনে তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। 
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ হাসান রেকর্ড তৃতীয়বারের মতো মিশিগানের হ্যামট্র্যামকের পরিষদের কাউন্সিলম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। নাবিলা ও শানিয়াত কে নিয়ে তিনি বলেন, তাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে অর্থ। তিনি বলেন, হাশেম ক্লার্ক এক মেয়াদের পরই নিজের পদ হারিয়েছিলেন শুধুমাত্র পর্যাপ্ত তহবিলের অভাবে।
হাসান বলেন, ‘মূল বিষয় হচ্ছে টাকা। আর আমরা বাংলাদেশিরা নির্বাচনে টাকা খরচ করতে খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি না।’ রাজনীতির জন্য তার নিজেরও বাড়ি বিক্রি করতে হয়েছে বলে জানান তিনি। 
হাসান জানান, দুজন প্রার্থীকেই একটি সফল নির্বাচনি প্রচারণা পরিচালনা করতে অন্তত ১০ লাখ ডলারের ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ এই মুহূর্তে প্রার্থী হওয়ার লড়াই বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। তিনি বলেন, ‘প্রথম তিন মাসের জন্য অন্তত ২০ জন পূর্ণকালীন কর্মী লাগবে যারা প্রত্যেকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে আপনার কথা বলবেন। শুধুমাত্র তাদের আট ঘণ্টার বেতন হিসেব করে দেখুন, তাহলেই বুঝবেন আমি কী বলতে চাইছি।’
নাবিলা ইসলাম ও শানিয়াত চৌধুরী দুজনেই করপোরেট তহবিল প্রত্যাখ্যান করেছেন। নির্বাচনী প্রচারণারজন্য তৃণমূলের অনুদানের ওপরই নির্ভর করছেন তারা।
বার্নি স্যান্ডার্স ও এলিজাবেথ ওয়ারেনের মতো প্রার্থীরাও একই নীতিতে অনেক বেশি অর্থ সংগ্রহ করতে পারছেন। ইতোমধ্যে তারা তাদের সমর্থক ও স্বেচ্ছাসেবীদের একটি বড় নেটওয়ার্ক তৈরি করে ফেলেছেন।  কিন্তু নাবিলা কিংবা শানিয়াত এই রাজনীতিতে নতুন হওয়ায় এখনও তাদের তেমন শক্তিশালী সমর্থকগোষ্ঠী গড়ে ওঠে নি।
বাংলাদেশের মতো দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশের নাগরিকদের মার্কিন নির্বাচনে খুব একটা ভোট দিতে দেখা যায় না। হাসান বলেন, ‘আমার মনে হয় আমাদের নিজেদের কমিউনিটির মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরি করতে হবে।’
হাসান জানান, তার মতো যে গুটিকয়েক বাংলাদেশি আমেরিকান স্থানীয় কিংবা রাজ্য নির্বাচনে জয় পেয়েছেন তারা আগামী মাসে একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছেন। এর মূল কাজ হবে নির্বাচনী প্রচারণা কাঠামো ও পরিকল্পনা তৈরি করা যেন কোনও বাংলাদেশি  নির্বাচনে দাঁড়ালে তাদের সহায়তা করা যায়। 
Share With:
Rate This Article