মরণঘাতী করোনা আতঙ্কের মধ্যেই তিন আসনে ভোটগ্রহণ শুরু
করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকির মধ্যেই ঢাকা-১০, গাইবান্ধা-৩ ও বাগেরহাট-৪ আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।
২১ মার্চ শনিবার সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। একটানা চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানায়, ঢাকা-১০ এর সব কেন্দ্রেই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএমে) এবং বাকি দুটি সংসদীয় আসনে ব্যালটে ভোট হচ্ছে।
ইসি ঢাকা-১০ আসনে ইভিএমে ভোটগ্রহণে অনড় থাকলেও এতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি দেখছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
ঢাকা-১০: দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে ঢাকা-১০ আসন।
সিটি নির্বাচনে অংশ নিতে শেখ ফজলে নূর তাপস পদত্যাগ করায় আসনটি শূন্য হয়। ১১৭টি ভোটকেন্দ্র ভোটকক্ষের সংখ্যা ৭৭৬। ৩ লাখ ১২ হাজার ২৮১ জন ভোটার ৭৭৬টি ইভিএমে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
এ সংসদীয় এলাকায় ছয়জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ তিনজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বরত আছেন।
এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ছয় প্রার্থী। আওয়ামী লীগের মো. শফিউল ইসলাম, বিএনপির শেখ রবিউল আলম, জাতীয় পার্টির হাজি মো. শাহজাহান, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের নবাব খাজা আলী হাসান আসকারী, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মিজানুর রহমান চৌধুরী ও প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের (পিডিপি) আব্দুর রহিম।
গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর): দেশ রূপান্তরের গাইবান্ধা প্রতিনিধি জানান, পলাশবাড়ী পৌরসভাসহ উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও সাদুল্লাপুর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত গাইবান্ধা-৩ আসন।
সাবেক সরকারদলীয় সাংসদ ডা. মো. ইউনুস আলী সরকার গত বছর ২৭ ডিসেম্বর অসুস্থজনিত কারণে মারা গেলে আসনটি শূন্য হয়। পরে চলতি বছর ৬ ফেব্রুয়ারি এ আসনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
ভোটরে মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী উম্মে কুলসুম স্মৃতি, বিএনপির মো. মইনুল হাসান সাদিক, জাতীয় পার্টির মো. মইনুল রাব্বী রোমান ও জাসদের এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদি। ১৩২টি ভোটকেন্দ্রের ৭৮৬টি বুথে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৪ লাখ ১১ হাজার ৮৫৪ জন।
এর মধ্যে সাদুল্লাপুরে রয়েছে ৬৮টি ও পলাশবাড়ী উপজেলায় রয়েছে ৬৪টি ভোটকেন্দ্র। প্রিসাইডিং অফিসার ১৩২, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ৭৮৬ ও ১ হাজার ৫৭২ জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন।
বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা): দেশ রূপান্তরের বাগেরহাট প্রতিনিধি জানান, নির্বাচনী এলাকার ১৪৩টি ভোটকেন্দ্র।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুচ আলী বলেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে স্বচ্ছ ব্যালট বক্সের সঙ্গে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সাবান, টিস্যু এবং করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে করণীয়বিষয়ক সচেতনতামূলক ব্যানার সরবরাহ করেছে ইসি।
এ আসনে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৫১০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। ভোট নির্বিঘ্ন করতে ১০ প্লাটুন বিজিবি, দুই প্লাটুন কোস্টগার্ড, র্যাবের ১০টি টিম নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ইতিমধ্যে এলাকায় এলাকায় টহল দিচ্ছে।♦








