ক্যাপিটলে হামলাকারীদের কাছে ভারতীয় পতাকা!
কংগ্রেসের ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ে হামলাকারীদের হাতে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পতাকার পাশাপাশি ছিল ভারতের জাতীয় পতাকা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে পোস্ট করা একটি ভিডিও এসেছে যদিও এর সত্যতা এখনও যাচাই হয় নি, সেখানে দেখা যাচ্ছে, ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ের সামনে প্রেসিডেন্ট ডোনান্ড ট্রাম্পের ছবি সমর্থকদের ভিড়ে অন্তত একজনের হাতে রয়েছে ভারতের জাতীয় পতাকা।
এরপরেই এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘এখানে ভারতীয় পতাকার উপস্থিতি অত্যন্ত বিরক্তিকর।’
ভিডিওতে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের জাতীয় পতাকার পাশাপাশি ‘কনফেডারেট’ পতাকাও দেখা গেছে।
১৮৬১ সালে ক্রীতদাস প্রথার সমর্থক ১১টি রাজ্য আমেরিকা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ‘কনফেডারেট স্টেটস’ গঠন করেছিল। দীর্ঘ চার বছর গৃহযুদ্ধের পরে ‘কনফেডারেট স্টেটস’কে পরাজিত করে আমেরিকাকে ফের ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন আব্রাহাম লিঙ্কন। ঘটনাচক্রে, দাসপ্রথা বিরোধী লিঙ্কনের দল রিপাবলিকান পার্টিরই নেতা বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
কোলকাতার সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা বলছে, ক্যাপিটালে হামলাকারী ট্রাম্প সমর্থদের জমায়েতে ভারতের জাতীয় পতাকার উপস্থিতির ‘প্রভাব’ নয়াদিল্লি-ওয়াশিংটন সম্পর্কে পড়তে পারে বলে কূটনীতিকদের একাংশ মনে করছেন।
#NOW: The White House ellipse. Trump supporters are crowding into Constitution Ave. for a rally where the president is supposed to speak later.
This is the “March to Save America” — one of at least four pro-Trump events planned around today’s joint session of Congress. pic.twitter.com/HcrJKCZ6pQ
— Alejandro Alvarez (@aletweetsnews) January 6, 2021
২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে আমেরিকা সফরে গিয়ে হিউস্টনে অনাবাসী ভারতীয়দের ‘হাউডি মোদি’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি স্লোগান দিয়েছিলেন, ‘অব কি বার, ট্রাম্প সরকার’ সেসময়ও আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে মোদির ‘অংশগ্রহণ’ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে নির্বাচন ঘিরে এমন সহিংসতা এবারই প্রথম। এ হামলায় এখন পর্যন্ত ৫ জন নিহত হয়েছে। আটক হয়েছেন ৫২ জন। এসব ঘটনার পর বৃহস্পতিবার মার্কিন নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে। যৌথ অধিবেশনে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস তাদের জয়ের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেয়েছেন।
পরাজিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন। আগামী ২০ জানুয়ারি শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা দিয়েছেন।❐








