Our Concern
Ruposhi Bangla
Hindusthan Surkhiyan
Radio Bangla FM
Third Eye Production
Anuswar Publication
Ruposhi Bangla Entertainment Limited
Shah Foundation
Street Children Foundation
June 15, 2026
হেডলাইন
Homeপ্রধান সংবাদআজ যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস

আজ যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস

আজ যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস

আজ ৪ জুলাই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস। ২৪৪ বছর আগে ১৭৭৬ সালের ২ জুলাই ইংল্যান্ডের শাসন থেকে পৃথক হওয়ার জন্য ভোট দেন আমেরিকার দ্বিতীয় কন্টিনেন্টাল কংগ্রেস। এর দুইদিন পর স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় কংগ্রেস।

কিন্তু পৃথক হতে ব্রিটেনের সঙ্গে চূড়ান্ত স্বাক্ষর ২ আগস্টে অনুষ্ঠিত হলেও প্রত্যেক বছর চার জুলাই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করে যুক্তরাষ্ট্র।

প্রতি বছর চোখ ধাঁধানো আতশবাজি আর জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করেন মার্কিনিরা। এই দিনটির জন্য জীবন দেন ২৫ হাজার বিপ্লবী আমেরিকান এবং ২৭ হাজার ব্রিটিশ ও জার্মান সেনা।

কিন্তু এবারে যুক্তরাষ্ট্রে চলছে করোনা মহামারী। এ মুহুর্তে স্মরণকালের ভয়াবহ বিপর্যয়ে দেশটি। তাই এবারের চিত্র একেবারে ভিন্ন। করোনার ভয়াল থাবায় ম্লান হয়েছে উৎসবের সব আয়োজন। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবারের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন।

গত কয়েক সপ্তাহে দেশটিতে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে হু হু করে। নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে কয়েকটি রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি। এ অবস্থায় চরম উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এরমধ্যে এবারের স্বাধীনতা দিবস সীমিত পরিসরে উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। ফলে এ বছরে স্বাধীনতা দিবস উৎসবের বিভিন্ন আয়োজন আগের মতো হচ্ছে না।

স্বাধীনতার প্রাক্কালে এই ১৩টি উপনিবেশ একসঙ্গে ইংল্যান্ডের রাজার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু করে। ভার্জিনিয়া উপনিবেশের জর্জ ওয়াশিংটন ছিলেন প্রধান সেনাপতি। এরই মধ্যে শুরু হয় স্বাধীনতা যুদ্ধ।

আর সেই যুদ্ধে উপনিবেশগুলোর বিজয়ের প্রাক্কালে ১৭৭৬ সালের ২ জুলাই দ্বিতীয় কন্টিনেন্টাল কংগ্রেসে ভোটের মাধ্যমে স্বাধীনতা ঘোষণার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর পর পাঁচজনের একটি কমিটি স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র রচনা করে। টমাস জেফারসন, জন অ্যাডামস, বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন ছিলেন এ কমিটির অন্যতম সদস্য। টমাস জেফারসন ছিলেন মূল লেখক।

রচিত ঘোষণাপত্রটি নিয়ে কংগ্রেসে তর্ক-বিতর্ক হয় এবং পরিশেষে ঘোষণাপত্রটি চূড়ান্ত রূপ লাভ করে। ঘোষণাপত্রটি কংগ্রেসের অনুমোদন পায় ৪ জুলাই ১৭৭৬ সালে।

ব্রিটিশদের অরাজকতা থেকে বের হয়ে আসার জন্য ‘প্রতিটি মানুষই সমান এবং একই সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি’ এই বাণীকে সামনে রেখে থমাস জেফারসন লিখলেন স্বাধীনতার বাণী।

আমেরিকার স্বাধীনতা সংগ্রামের অনেক পুরোনো মিত্র হলো ফ্রান্স। আমেরিকার আকাশে আজকের যে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উঁচু করে মশাল ধরে আছে তার পরিকল্পনা, নকশা, অর্থ সংগ্রহ—সবই হয়েছে ফ্রান্সে। আমেরিকার গৃহযুদ্ধে ও বিপ্লবে (১৭৭৫-১৭৮৩) সে দেশের জনগণের বীরোচিত ভূমিকা, দাশ প্রথার অবসান এবং একটি নতুন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্মের পর বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে ফ্রান্সের নাগরিকেরা উপহার দিয়েছে এই ভাস্কর্যটি।

স্ট্যাচু অব লিবার্টি স্বাধীনতার প্রতীক। এই ভাস্কর্য শুধু আমেরিকার জাতীয় প্রতীকই নয় বরং সারা বিশ্বের কাছে মুক্তি বা স্বাধীনতার প্রতীক।

প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসের আগে স্ট্যাচু অব লিবার্টিকে নানাভাবে সজ্জিত করা হয়। যত দিন আমেরিকা থাকবে ততদিন এই ভাস্কর্য স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রর প্রতীক হয়ে থাকবে। ⛘

Share With:
Rate This Article