Our Concern
Ruposhi Bangla
Hindusthan Surkhiyan
Radio Bangla FM
Third Eye Production
Anuswar Publication
Ruposhi Bangla Entertainment Limited
Shah Foundation
Street Children Foundation
August 4, 2026
হেডলাইন
Homeপ্রধান সংবাদকরোনায় বাংলাদেশ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে

করোনায় বাংলাদেশ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে

করোনায় বাংলাদেশ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মাঝে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার ৫৩তম দিনে বাংলাদেশ মৃত্যুর হারের দিক থেকে সর্বোচ্চ ও সুস্থতার হারে সর্বনিম্ন অবস্থানের রেকর্ড গড়েছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে এ অঞ্চলের আটটি দেশের মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশ।

ভারত, আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও অন্যান্য এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশে একই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে মৃত্যু রেকর্ড হয়েছে ১৬৩ জন।

পাকিস্তানে করোনাভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত রেকর্ড হয় ৬ ফেব্রুয়ারি। তিনি ইরানফেরত এক শিক্ষার্থী ছিলেন। এর ৫৩ দিনের মাথায় পাকিস্তানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা অঞ্চলটির আট দেশকে ছাড়িয়ে যায়। একইসাথে, ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশটিতে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৪৩ জন।

আফগানিস্তানে প্রথম ৫৩ দিনে ৩০ জন, ভারত ৭ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করলেও অঞ্চলের বাকি দেশগুলো করোনাভাইরাসে একটি মৃত্যুও রেকর্ড করে নি।

পাকিস্তানের মত, বাংলাদেশেও গত ২৮ ও ২৯ এপ্রিল এই দু’দিনেই যথাক্রমে ৫৪৯ ও ৬৪১ জন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। বর্তমানে এই দুটি দেশই চার-সংখ্যার করোনাভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত হওয়ার রেকর্ড করেছে। বাকি পাঁচটি দেশে তিন-সংখ্যা, দুই এমনকী, একক সংখ্যারও শনাক্ত রেকর্ড হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের হিসেব মতে, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপের মত পর্যটনকেন্দ্রিক দেশগুলো বিশ্বে সংক্রমণ শুরু হওয়ার একদম প্রথমদিকেই কঠোরভাবে লকডাউন করে দিয়েছিল। একইসাথে, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা এবং সীমান্তগুলো তৎক্ষণাৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ভারত এখন পর্যন্ত ২২ হাজার ৯৮২ জন শনাক্ত ও ১ হাজার ৮ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

শ্রীলঙ্কা গত ২৭ জানুয়ারি প্রথম শনাক্ত রেকর্ড করেছে। ৪৪ বছর বয়সী চীনের এক নারী হুবেই থেকে দেশটিতে এসেছিলেন। তিনিই প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হন। পরবর্তীতে, শ্রীলঙ্কা ১৩তম দিনে গিয়ে দ্বিতীয় আক্রান্ত শনাক্তের রেকর্ড করে।

নেপালে, কাতার হয়ে ফ্রান্সফেরত ১৯ বছরের এক তরুণী শনাক্ত হন গত ১৭ মার্চ। এটি ছিল দেশটির দ্বিতীয় করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্তর ঘটনা।

মালদ্বীপের বাংলাদেশি অভিবাসীরা সেখানকার স্থানীয়দের তুলনায় অনেক বেশি আক্রান্ত হয়েছেন। ২৯ এপ্রিলের মধ্যে দেশটিতে মোট আক্রান্ত ২৫৬ জনের মধ্যে ১১৫ জনই বাংলাদেশি বলে জানা গিয়েছে।

তবে বাংলাদেশে এখন অনেক বেশি শনাক্ত পাওয়া যাচ্ছে কেননা, প্রথম সংক্রমণের চতুর্থ সপ্তাহ থেকে নমুনা পরীক্ষার পরিমাণ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ◉

Share With:
Rate This Article