যুদ্ধের ভার বহন করার মতো ক্ষমতা আমেরিকার নেই: ন্যান্সি পেলোসি
ইরাকের ভূখণ্ডে দুটি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানোর পর মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি বলেছেন, ‘আমরা বিষয়টি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। ইরাকে আমাদের সেনা মোতায়েন রয়েছে; আমরা অবশ্যই তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করব এবং অপ্রয়োজনীয় উস্কানির অবসান ঘটাব।’
ন্যান্সি পেলোসি ইরানকেও সংঘাত বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘এ মুহূর্তে নতুন করে কোনও যুদ্ধের ভার বহন করার মতো ক্ষমতা আমেরিকা এবং বিশ্বের নেই।’
এদিকে, হামলার পর হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র স্টেফানি গ্রিশাম এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ইরাকে মার্কিন স্থাপনায় হামলার বিষয়টি আমরা জেনেছি। প্রেসিডেন্টকে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। তিনি পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে পরামর্শও করছেন প্রেসিডেন্ট।’
গতকাল বুধবার ইরাকের মার্কিন দুই সেনাঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ইরান সোলাইমানি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া শুরু করেছে বলে জানিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি বিবৃতিতে বলেছে, লে. জেনারেল কাসেম সোলাইমানির ওপর আগ্রাসী মার্কিন সেনাদের সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক হামলার কঠোর জবাব দিতে আইন আল-আসাদ ঘাঁটিকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আইআরজিসি’র বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জেনারেল সোলাইমানিকে হত্যার কাপুরুষোচিত পদক্ষেপের ‘কঠোর প্রতিশোধ’ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। বুধবার ভোররাতে ইরাকে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটি ‘আইন আল-আসাদ’র ওপর ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য অসংখ্য ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ করে ঘাঁটিটিতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।অভিযানটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘শহীদ সোলাইমানি’ এবং এই অভিযানের মাধ্যমে যে ‘মহান বিজয়’ অর্জিত হয়েছে সেজন্য বিবৃতিতে ইরানের মুসলিম জাতিকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।








