Our Concern
Ruposhi Bangla
Hindusthan Surkhiyan
Radio Bangla FM
Third Eye Production
Anuswar Publication
Ruposhi Bangla Entertainment Limited
Shah Foundation
Street Children Foundation
September 13, 2026
হেডলাইন
Homeনিউ ইয়র্কনিউ ইয়র্কে হামলাকারী ধরিয়ে দিয়ে ৫০ হাজার ডলার পুরস্কার

নিউ ইয়র্কে হামলাকারী ধরিয়ে দিয়ে ৫০ হাজার ডলার পুরস্কার

নিউ ইয়র্কে হামলাকারী ধরিয়ে দিয়ে ৫০ হাজার ডলার পুরস্কার

নিউইয়র্কে পাতাল ট্রেনে বন্দুক হামলাকারীকে ধরিয়ে দিয়ে ৪৩ লাখ টাকা (৫০ হাজার মার্কিন ডলার) পুরস্কার পেলেন ২১ বছর বয়সী সিরিয়ান অভিবাসী জাকারিয়া তাহহান ওরফে জাচ তাহহান। গত ১২ এপ্রিল নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিনের সানসেট পার্ক এলাকার ৩৬তম স্ট্রিটের পাতাল ট্রেনে এক বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে ১০ জন গুলিবিদ্ধসহ ২৯ ব্যক্তি আহত হন। সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে সরাসরি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিয়ে তাকে ধরিয়ে দিয়ে পুলিশ বিভাগ ঘোষিত ৪৩ লাখ টাকা (৫০ হাজার মার্কিন ডলার) পুরস্কার পান জাকারিয়া।

নিউইয়র্ক সিটি কর্তৃপক্ষ গত বুধবার (১৩ এপ্রিল) জাকারিয়া তাহহানকে পুরস্কারপ্রাপ্তের নাম ঘোষণাসহ নায়ক হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেন। ২১ বছর বয়সী সিরিয়ান অভিবাসী জাকারিয়া তাহহান ওরফে জাচ তাহহান ৫ বছর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা হলেও কর্মসূত্রে বর্তমানে নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের বসবাস করছেন জাকারিয়া।

তিনি পাঁচটি ভাষায় কথা বলতে পারেন। তিনি একটি কোম্পানির সব ধরনের নজরদারি ক্যামেরা ইনস্টল করে থাকেন। পাতাল ট্রেনে বন্দুক হামলাকারীকে ধরিয়ে দেবার পর জাকারিয়া রাস্তায় একটি সংবাদ সম্মেলন করেছিল যেখানে কয়েক ডজন সাংবাদিক তাকে ঘিরে ধরেছিল। তাদের মধ্যে কেউ কেউ দ্বিগুণ পুরস্কারও প্রদানের কথাও দাবি করেন, কারণ কেউ জানে না বন্দুক হামলাকারী ফ্র্যাঙ্ক জেমস আর কী কী করতে যাচ্ছিল।

সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, আমার যখন ১৩ বছর বয়স তখন ২০১১ সালে সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। চোখের সামনে মানুষ মানুষকে হত্যা করার বীভৎস দৃশ্য দেখেছি। এ কারণে যখনই কোনো হামলার ঘটনা দেখি, তখনই আমার পুরনো স্মৃতি মনে পড়ে। আমি মনে করি, যেসব নিরপরাধ মানুষের ওপর হামলা হয়েছে, তাদেরও স্ত্রী-সন্তান ও পরিবার-পরিজন আছে। কেন অকারণে মানুষ মানুষকে হত্যা করছে। তাই টিভিতে হামলাকারীকে দেখামাত্র পুলিশকে ফেন দিই এবং তাকে গ্রেফতারে সব ধরনের সহযোগিতা করি। এ ঘটনার পরে রাতারাতি হিরো বনে যান সিরীয় এই তরুণ। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সির বাসিন্দা হলেও কর্মসূত্রে বর্তমানে নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের বসবাস করছেন। গ্রেফতারের পর হামলাকারী পুলিশকে জানিয়েছেন, আরও ভয়াবহ হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। অর্থাৎ তাকে যথাসময়ে গ্রেফতার করতে না পারলে আরও হামলার আশঙ্কা ছিল।

Share With:
Rate This Article