সরবরাহের ঘাটতির মধ্যেও ম্যানহাটন গির্জায় নতুন ভ্যাকসিনেশন কেন্দ্র স্থাপন
জাহান আরা দোলন: নিউ ইয়র্ক জুড়ে নতুন নতুন টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করার ফলে অ্যাপয়েন্টমেন্ট হয়ত নেওয়া যাচ্ছে কিন্তু ভ্যাকসিন বিতরণ এই মহাযুদ্ধের কেবল একটা ধাপ মাত্র।
মহামারী শুরু হওয়ার পর থেকে এক প্রতিবেদনে জানা যায়, নিউ ইয়র্কে এখন পর্যন্ত মোট ৩২ হাজার ৭শ’ ২৫ জনের করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া করোনা টেস্টে ১০ লক্ষ ২০ হাজার পজিটিভ পাওয়া গেছে। ফলে বর্তমান পজিটিভের হার শতকরা ৫ ভাগেরও এরও বেশী দাঁড়িয়েছে। সুতরাং ভ্যাকসিনের প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে।
শনিবার, এনওয়াইসিএইচএ (নিউইয়র্ক সিটি হাউজিং অথরিটি) কমপ্লেক্সে মাত্র ৫শ’ জন বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিককে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।
এবং এরপরেও রবিবার দুপুরে হারলেমের অ্যাবিসিনিয়ান চার্চে আরও একটি নতুন ভ্যাকসিন কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
বর্তমানে শহরটিতে বড় আকারের চব্বিশ ঘণ্টা সেবা প্রদানকারী ভ্যাকসিনেশন কেন্দ্র পাঁচটি। এরমধ্যে একটি কেন্দ্র ব্রুকলিন আর্মি টার্মিনালে। এটি সবেমাত্র গেল সপ্তাহে খোলা হয়েছে। এখানে ভ্যাকসিন সহজলভ্য থাকার কথা থাকলেও শুক্রবার কেন্দ্রটি পুরোপুরি তালাবন্ধ ছিল।
এদিন যারা অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেয়েছিলেন তাদেরকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। অন্যদিকে যথেষ্ট পরিমাণে ভ্যাকসিন মজুদ না থাকার ফলে অন্যান্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল করা হয়। নিউ ইয়র্ক কর্তৃপক্ষ রাষ্ট্র এবং ফেডারেলের দ্রুত ভ্যাকসিন পাঠাতে অনুরোধ জানিয়েছে ।
এ মুহুর্তে রাজ্যে কয়েক মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিনেশন দরকার অথচ দেওয়া হচ্ছে মাত্র কয়েক লক্ষ ডোজ।
গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো ধারণা করছেন, এই অবস্থায় বড়জোর আগামী এপ্রিল পর্যন্ত চালানো যেতে পারে। এরপর ভ্যাকসিন সঙ্কট প্রকট আকার ধারণ করবে।❐
এবিসি৭এনওয়াই








