ঢাবি ছাত্রী ধর্ষক মজনুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে এ বছরের শুরুতে রাজধানীর কুর্মিটোলায় ধর্ষণ মামলায় একমাত্র আসামি মজনুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে এই আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকার সপ্তম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোছা. কামরুন্নাহার।
ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়ার আগে এই মামলার অভিযোগ গঠন হওয়ায় আগের আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডই দেওয়া হয়েছে আসামি মজনুকে।
এ বছরের ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যার পর ঢাকার কুর্মিটোলায় নির্জন সড়কের পাশে ধর্ষণের শিকার হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষার্থী৷ পরদিন তার বাবা ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন।
রায় ঘোষণা উপলক্ষে আসামি মজনুকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। রায়ের পর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি আগেই গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন।
গত ১২ নভেম্বর এই মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়। এদিন বিচারক মামলার রায় ঘোষণার জন্য ১৯ নভেম্বর তারিখ ধার্য করেন।
শুনানিতে আসামি মজনুর সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছিল রাষ্ট্রপক্ষ।
আদালত সূত্র জানায়, ৫ নভেম্বর এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। গত ২৬ আগস্ট মজনুর বিরুদ্ধে আদালত অভিযোগ গঠন করেন।
গত ১৬ মার্চ মামলায় মজনুর বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।
মামলার অভিযোগপত্রে ২৪ জনকে সাক্ষী করা হয়। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মোবাইলসহ মামলার আলামত হিসেবে ২০ ধরনের জিনিস জব্দ দেখানো হয়।
গত ৫ জানুয়ারি রাজধানীর কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ড থেকে ফুটপাত দিয়ে হেঁটে গলফ ক্লাবসংলগ্ন স্থানে পৌঁছালে ওই ছাত্রীকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন মজনু।
এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন। পরে র্যাব-১ অভিযান চালিয়ে মজনুকে গ্রেপ্তার করে।❐








