Our Concern
Ruposhi Bangla
Hindusthan Surkhiyan
Radio Bangla FM
Third Eye Production
Anuswar Publication
Ruposhi Bangla Entertainment Limited
Shah Foundation
Street Children Foundation
June 15, 2026
হেডলাইন
Homeআঞ্চলিকগায়েহলুদের দিনে মারা গেলেন বখাটের হামলায় আহত কাকলি

গায়েহলুদের দিনে মারা গেলেন বখাটের হামলায় আহত কাকলি

গায়েহলুদের দিনে মারা গেলেন বখাটের হামলায় আহত কাকলি

শরীয়তপুর শহরের চর পালং এলাকায় এক বখাটের হামলায় আহত তরুণী মারা গেছেন। রোববার (২০ মার্চ) ভোরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

নিহত কাকলি আক্তার (১৮) শরীয়তপুর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।

জানা গেছে, পরিবার থেকে তার বিয়ে ঠিক করা হয়েছিল। সোমবার তার বিয়ে ও রোববার গায়েহলুদের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। বিয়ে করতে না পেরে জাহিদুল ইসলাম (২২) নামে এক তরুণ বৃহস্পতিবার রাতে ওই তরুণীকে কুপিয়ে আহত করেন। জাহিদুল শরীয়তপুর পৌরসভার কাশাভোগ এলাকার বাসিন্দা।

শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানা সূত্র জানায়, শরীয়তপুর শহরের চর পালং এলাকার বাসিন্দা নুরুজ্জামান মাদবরের মেয়ে কাকলি আক্তার (১৮)। শহরের শরীয়তপুর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়তেন। ওই মাদ্রাসার সাবেক ছাত্র জাহিদুল ইসলাম তাকে উত্ত্যক্ত করতেন। তিনি কাকলিকে বিয়ের জন্য পরিবারের কাছে প্রস্তাব দেন। কাকলির পরিবার তাদের মেয়ে জাহিদুলের কাছে বিয়ে দিতে রাজি হয়নি। কাকলিকে অন্যত্র বিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেন তার পরিবার। এতে ক্ষুব্ধ হন জাহিদুল। বৃহস্পতিবার রাতে জাহিদুল কাকলিদের ঘরে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে আহত করে। তার চিৎকারে এলাকার মানুষ এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। পালিয়ে যাওয়ার সময় জনতা জাহিদুলকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ দুজনকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। তাদের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল কাকলিকে। অবস্থার আরও অবনতি হলে ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। রোববার ভোরে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

পরিবার জানায়, কাকলিরা দুই ভাই এক বোন। দুই ভাই শহরে একটি মোটরসাইকেলের গ্যারেজ চালান। আর বাবা নুরুজ্জামান মাদবর সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই প্রবাসী। কাকলির বিয়ে উপলক্ষে বাড়িতে পাকা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছিল। ধুমধামে বিয়ের আয়োজন করার জন্য চলছিল প্রস্তুতি। এমন পরিস্থিতিতে বাড়ির নির্মাণাধীন ভবনের একটি কক্ষে কাকলির ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

কাকলির ভাই ফারুক মাদবর বলেন, রোববার আমার বোনের গায়েহলুদ ছিল। সোমবার বিয়ে। এ কথা জেনে ওই বখাটে জাহিদুল আমার বোনকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। আমরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে ঢাকা পাঠানো হয়। ঢাকায় আইসিইউতে ছিল। আজ (রোববার) মারা গেছে। আমি আমার বোনের হত্যাকারীর বিচার চাই।

শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আক্তার হোসেন বলেন, তরুণীকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগে একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেছিলেন তার ভাই ফারুক। ওই মামলায় জাহিদুলকে আসামি করা হয়েছে। মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে। আর ওই ঘটনার পর জাহিদুলকে আটক করে জনতা গণপিটুনি দিলে সে আহত হয়। তাকেও ঢাকার একটি হাসপাতালে পুলিশি পাহারায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

Share With:
Rate This Article