করোনা পরিস্থিতিতেও ধর্ষণ-হত্যা, শাস্তি না হওয়ায় অপরাধের পুনরাবৃত্তি
করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই দেশে বেড়েছে ধর্ষণ। অনেক ক্ষেত্রে জামিনে বের হয়ে আবার একই অপরাধ করছেন আসামিরা। আইন বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, যৌন অপরাধীদের তালিকা না থাকা এবং তদারকির অভাবে অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম খান বলেন, একই অপরাধের পুনরাবৃত্তির পেছনে আইনি এবং সামাজিক কাঠামো অনেকাংশে দায়ী। তিনি বলেন, যেহেতু শাস্তি হয় নি সেহেতু এটা তারা ঘটাচ্ছে বারবার। সামাজিক ও মনঃস্তাতিক কারণ উৎঘাটন ছাড়া অপরাধ নির্মূল সম্ভব নয়।
ধর্ষণের পর হত্যা মামলার আসামি পারভেজ নামের এ মানুষটি। বয়স বিবেচনায় জামিনে মুক্ত পায় সে। এবার দুই শিশু সহোদরকে ধর্ষণের পর হত্যার পাশাপাশি খুন করেছে মা ও ভাইকেও। গ্রেফতারের পর নিজেই স্বীকার করে অপরাধ। তার সঙ্গে জড়িত আরও ৫ জনকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।
ব্যারিস্টার সাবরিনা জেরিন বলেন, ধর্ষণ মামলায় কম সাজা ও আইনি দীর্ঘসূত্রিতায় বারবার ঘটছে এমন অপরাধ।
জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালমা আলী বলেন, যে সব আসামিকে ধরা হয় নি বা জামিনে বের হয়েছে বিশেষ করে ধর্ষণ মামলার, সেই সব আসামির একটা তালিকা থাকে অন্যান্য দেশে। সেইসব অপরাধীর মনিটরিং করা হয়, তারা আবার হুমকি ধামকি দিচ্ছে কিনা কিন্তু আমাদের দেশে তা করা হয় না।
মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, বিশ্বের অনেক দেশেই যৌন অপরাধে অভিযুক্তদের তালিকা করে তদারক করে স্থানীয় প্রশাসন। এ ব্যবস্থায় যেমন অপরাধ ঠেকানোর পাশাপাশি অপরাধীদের কাউন্সিলিং করার সুযোগ থাকে।
গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, করোনা পরিস্থতিতে দেশে ২৫ দিনে ৬০টি ধর্ষণের ঘটণা ঘটেছে।◉
সময়








