করোনার রোধে জোর করে গোমূত্র পান করিয়ে গ্রেফতার বিজেপি নেতা
কর্তব্যরত পুলিশ কনস্টেবলকে অন্ধকারে রেখে খাওয়ানো হয়েছে গোমূত্র। এই অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা নারায়ণ চট্টোপাধ্যায়কে।
দুপুরে তার বাড়িতে হানা দেয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কোলকাতার জোড়াবাগান থানা। আজ সান্ধ্যায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় লালবাজারে। সেখানেই গ্রেপ্তার হন নারায়ণ।
সোমবার বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য নারায়ণ চট্টোপাধ্যায় হাতে গোমূত্রের বোতল নিয়ে প্রচার চালান। ধরে ধরে সকলকে গোমূত্র পান করিয়েছেন এই বিজেপি নেতা। এক পুলিশ কনস্টেবলের অভিযোগ, কর্তব্যরত অবস্থায় তাকে না জানিয়েই খাওয়ানো হয়েছে গোমূত্র। তার বিরুদ্ধে গোমূত্র খাইয়ে বিভ্রান্ত ছড়ানোর অভিযোগ ওঠেছে।
বির্তক হলেও বিজেপি নেতার পাশে দাঁড়িয়েছেন দলের রাজ্য সভাপতি। সংসদে চত্বরে দিলীপ ঘোষ বলেন, পশ্চিমবঙ্গে সবাই কখনও না কখনও গোমূত্র খেয়েছে। সবাই না জেনে কখনও না কখনও খেয়েছেই। এখন নাক সিঁটকাচ্ছে। কিছু লোকের এরকম অভ্যাস আছে, করে এক বলে এক। আর কেউ কাউকে জোর করে গোমূত্র খাওয়াবে না। খাওয়ানোর অধিকারও কারও নেই। এসব নাটকবাজি। বিজেপির বিরোধিতা করার জন্য করা হচ্ছে। সবাই গোমূত্র খায়। পরিস্থিতি এলে আবার খাবে।
দিলীপ বলেন, কাউকে জোর করে খাওয়ানো হচ্ছে না। যার বিশ্বাস আছে খাবে। বহু ওষুধ যুগযুগ ধরে চলে আসছে। এটাও এক ধরনের ওষুধ। যাদের কোনও জ্ঞান নেই। তারাই বিজ্ঞানের ঠেকা নিয়েছে। তাদের কথা সমাজে কেউ গুরুত্বও দেয় না। ফলে গোমূত্রে কী আছে তা নিয়ে তাদের মাথা ঘামানোর দরকার নেই।
সূত্র : জিনিউজ








