Our Concern
Ruposhi Bangla
Hindusthan Surkhiyan
Radio Bangla FM
Third Eye Production
Anuswar Publication
Ruposhi Bangla Entertainment Limited
Shah Foundation
Street Children Foundation
June 18, 2026
হেডলাইন
Homeআন্তর্জাতিক১০ বছরের আলোচনা শেষে হলো ঐতিহাসিক সমুদ্র চুক্তি

১০ বছরের আলোচনা শেষে হলো ঐতিহাসিক সমুদ্র চুক্তি

১০ বছরের আলোচনা শেষে হলো ঐতিহাসিক সমুদ্র চুক্তি

দশ বছরের আলোচনা, দরকষাকষির পর সাগর-মহাসাগর রক্ষায় ঐতিহাসিক এক চুক্তিতে পৌঁছাল বিশ্বের দেশগুলো। তহবিল ও মাছ ধরার অধিকার নিয়ে মতানৈক্যের কারণে চুক্তির আলোচনা এতদিন ধরে ঝুলে ছিল। টানা ৩৮ ঘণ্টা আলোচনার পর শনিবার সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদরদপ্তরে চুক্তিটির ব্যাপারে সবার সম্মতি মেলে । খবর বিবিসি।

এই হাই সী’স ট্রিটিতে সমুদ্রের পরিবেশ রক্ষা ও পুনরুদ্ধারে সাগর-মহাসাগরের ৩০ শতাংশকে ২০৩০ সালের মধ্যে সংরক্ষিত এলাকায় পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। নতুন চুক্তিতে যেসব সমুদ্রের যেসব এলাকা সংরক্ষিত হিসেবে বিবেচিত হবে সেখানে মাছ ধরা, নৌযান চলাচলের রুট এবং খনন কাজের সীমা, ভূপৃষ্ঠ থেকে ২০০ মিটার বা তার নিচের সমুদ্র তলদেশ থেকে কখন খনিজ পদার্থ নেওয়া যাবে, তা ঠিক করে দেওয়া হবে।

সমুদ্রে খনন কাজ সেখানকার প্রাণীদের প্রজননে ব্যাঘাত, শব্দ দূষণ সৃষ্টি এবং সামুদ্রিক জীবনকে বিষিয়ে তুলতে পারে জানিয়ে পরিবেশবাদী গোষ্ঠীগুলো দীর্ঘদিন ধরেই সমুদ্রে খনন প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছিল।

সমুদ্র রক্ষায় সর্বশেষ যে আন্তর্জাতিক চুক্তি হয়েছিল তা হলো ইউএন কনভেনশন অন দ্য ল অব দ্য সী । যা প্রায় ৪০ বছর আগে ১৯৮২ সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

ওই চুক্তি হাই সী ধারণাকে প্রতিষ্ঠিত করলেও, তার মাত্র এক দশমিক ২ শতাংশ সুরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। হাই সী হচ্ছে আন্তর্জাতিক জলসীমা, যেখানে সব দেশের অধিকার, জাহাজ চালানো ও গবেষণার অধিকার রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তন, অত্যধিক মাছ ধরা ও জাহাজ চলাচলের কারণে সংরক্ষিত এলাকার বাইরে থাকা সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও প্রাণীকূল ভয়াবহ ঝুঁকির মধ্যে আছে।

এর মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশ বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার মুখে রয়েছে বলে বৈশ্বিক সামুদ্রিক প্রজাতি নিয়ে হওয়া সর্বশেষ পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন)।

চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদনে সদস্য দেশগুলোকে ফের বসতে হবে; কার্যকর হওয়ার আগে চুক্তিটি নিয়ে এখনো অনেক কাজ বাকি বলেও জানিয়েছে বিবিসি।

“চুক্তিটি কার্যকর হতে এখনও বেশ খানিকটা সময় লাগবে। বলবৎ হওয়ার আগে দেশগুলোকে চুক্তিটিতে অনুসমর্থন দিতে হবে। এরপর বিজ্ঞান ও কারিগরি কমিটির মতো অনেকগুলো প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ঠিক করতে হবে,” বলেছেন পিউস ট্রাস্ট ওশান গভর্নেন্স টিমের পরিচালক লিজ কারান।

Share With:
Rate This Article